ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু দিন আগে বলেছেন, প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা নিলেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। অভিভাবকদের প্রশ্ন এত সাধারণ একটি সমস্যা প্রধানমন্ত্রীর চোখে পড়লেও শিক্ষার সাথে যুক্ত আমাদের প্রশাসনিক কর্মকর্র্তাদের চোখে কেন পড়ল না। নাকি বিগত দিনে বিষয়টা তাদের চোখে পড়লেও তারা সেটা এড়িয়ে গেছেন। এখন বাস্তবতা যতটুকু জানি রাজধানীর ভিকারুনন্নেসা নুন, রাজউক উত্তরা, মতিঝিল আইডিয়ালসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য স্কুলে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রথম শ্রেণীর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদেরও ভর্তি কোচিং করতে হয় এবং ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। শুধু ভর্তি পরীক্ষাতেই স্কুলগুলো অনেকসময় ভর্তি নিতে চায় না। সেক্ষেত্রে অভিভাবক বুঝে ডোনেশনও দাবি করা হয় বা অনেক অভিভাবক ¯ইচ্ছায় ডোনেশন দিয়ে নিজের সন্তানকে ভর্তি করান।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের ফলে হয়তো ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ হতে পারে কিন্তু ডোনেশন বাণিজ্য বন্ধ হবে কিনা তা ঠিক পরীষ্কার নয়। প্রথম শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা না নেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান সবার কাছেই প্রশংসনীয় হয়েছে। কিন্তু অভিভাবকদের আশঙ্কা ভর্তি পরীক্ষা না হয় বন্ধ হলো ডোনেশন বাণিজ্য কি বন্ধ করা যাবে? নাকি ভর্তি পরীক্ষার বদলে এবার ডোনেশনের মাত্রাটাই বেড়ে যাবে। এই ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর কোচিং বাণিজ্যও একটি অংশ। এই ভর্তি বাণিজ্যের সাথে স্কুলগুলোর হীনস্বার্থ জড়িত বলেও মনে করছেন অভিভাবকরা। লোকমুখে ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের বিষয়গুলো থাকলেও অনেক সময় প্রভাবশালীদের জড়িত থাকার কারণে বিষয়গুলো পিছনে পড়ে থাকে। বিগত বছরগুলোতে ভর্তি পরীক্ষায় নিজের সন্তানকে অংশগ্রহণ করানোর জন্য স্কুলগুলোর সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে ফরম সংগ্রহের যে চিত্র চোখে পড়েছে এ বছর হয়তো সে চিত্র চোখে পড়বে তবে শিক্ষাজীবনের প্রথম ধাপে যে যুদ্ধ করতে হয় সে যুদ্ধটা হয়তো এবার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের করতে হবে না।