ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেনের মহাসড়কে কাঁচপুর, মেঘনা এবং গোমতি এই ৩টি দুই লেনের সেতুই বর্তমানে এ সড়কে যানজটের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেতু এলাকাগুলোতে দিনের বিভিন্ন সময় ২ থেকে ৩ ঘন্টা যানজটে পড়ে থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এ মাহসড়কে যানজটের চাপ বেশি পরে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গাছে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও শুক্রবারেও যানজট থেকে নিস্তার নেই সাধারণ মানুষের। নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এরকম ভোগান্তি থেকে নিস্তার একেবারেই সম্ভব নয় বলেই মনে করছে হাইওয়ে পুলিশ।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার মহাসড়কে আমদানী-রপ্তানিমুখী ট্রাক, লড়ি, কভার্ডভ্যান ও প্রাইভেট গাড়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সেতু তিনটি ২ লেনের হওয়ার কারণে যানজটে কষ্ট করতে হয় তাদেরকে।

৭ অক্টোবর শুক্রবার মেঘনা সেতু এলাকায় বিকেল ৩ টায় যানজটে থাকা বাস যাত্রী কাপড় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, দুপুর দেড় টায় ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের কাজলা প্রান্ত থেকে কাঁচপুর সেতু পর্যন্ত খুব ভালোভাবেই আসলাম কোন যানজট নেই। কিন্তু কাঁচপুর সেতুর কাছাকাছি আসার পরই গাড়ীর এক বিশাল জটলা। ২০ মিনিট ওখানে যানজটে বসে ছিলাম। কাঁচপুর সেতু পার হওয়ার পর আড়াইটার মধ্যেই চলে আসলাম মেঘনা সেতু এলাকায় কিন্তু এখানে বসে আছি আধা ঘন্টা ধরে। আরও যে কতক্ষন বসে থাকতে হবে যানজটে তা সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কেউ বলতে পারে না। প্রতিটি শুক্রবারেই এরকম ভোগান্তি হয় আমাদের। পরিবার পরিজন নিয়ে শুক্রবার দিন ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ী যওয়াটা দুসাধ্য হয়ে পড়েছে। শুধু শুক্রবার বলছি কেন! সপ্তাহের অন্যান্য দিনেও এখানে যানজটে পড়তে হয় কিন্তু মাঝে মাঝে ভাগ্য জোড়ে যানজট পওয়া যায় না।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় টহলরত হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের কথা বলে জানা গেছে, মহাসড়ক চার লেন হওয়ায় এবং সেতুগুলো দুই লেনের হওয়ায় চার লেনের গাড়ীর চাপ পড়ছে এবং যানজটে অনেকক্ষন একই জায়গায় বসে থাকতে হয়। নতুন সেতু না হওয়া পর্যন্ত এরকম ভোগান্তি থেকে একেবারে নিস্তার পাওয়া সম্ভব নয়।

লেখক : এস এম হৃদয় রহমান, গণমাধ্যমকর্মী।