ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

সব সরকারের আমলেই রাষ্ট্র অন্যায়ভাবে বিভিন্ন অভিযোগের ধুঁয়া তুলে অনেক ব্যবসায়ী ও অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে । দুদক কে কাজে লাগিয়ে অনেক স্বনামধন্য ব্যাক্তির উপর রাষ্ট্র পরিচালনাকারীরা কলঙ্কের কালি লেপন করেছে আর উল্টো দিকে স্ব স্ব দলের নেতাকর্মীদেরকে পরিশুদ্ধ করেছে দুদকের দেয়া চারিত্রিক সনদের মাধ্যমে ।

কত ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের এসব অত্যাচার সহ্য করেছে, প্রতিবাদের শক্তি নেই বলে ।

বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ এমন একটা দেশ, এদেশে রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়না এমন একটা খাত নেই । ক্ষমতাসীনরা এখানে আলেকজান্ডারের চেয়েও শক্তিশালী, চেঙ্গিস খানের চেয়েও দুর্ধর্ষ ।

এদেশে কোন কিছুই আলোচনার দ্বারা মিমাংসা হয়না । শক্তি প্রদর্শন-ই এখানে এক ও অদ্বিতীয় পথ । রাষ্ট্র সব ইস্যুতেই পুলিশি শক্তি ব্যবহার করে ।

এমন চলমান দুর্বৃত্তায়নের মধ্যে রাষ্ট্র প্রথম বারের মত গ্রামীন ব্যাংক ইস্যুতে উল্টো শক্তির মুখোমুখি হয়েছে । রাষ্ট্র এবার বুঝুক, সকল নষ্টামোর একটা শেষ আছে । বাপের উপরেও বাপ আছে। যদিও ড. ইউনুস এখানে অনেক বেশি বাড়াবাড়ি করছে, তবুও বলার কিছু নেই ।

রাষ্ট্র গত ৪০ বছর ধরে তার প্রতিষ্ঠান ও জনগনের সাথে যে একগুয়েমি ও নিপীড়ন করে বেড়িয়েছে এখন তার কিছুটা হলেও উসুল হচ্ছে ।

ড. ইউনুসের দোষ থাকতে পারে, দূর্নীতি থাকতে পারে- তা বলার জন্য আদালত আছে । ছাত্রলীগের মাস্তান থেকে শুরু করে মন্ত্রীসভার বৈঠক পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে বিষোদগারই প্রমান করে, এখানে চুরি খোঁজার চেয়ে চোর খোঁজার প্রতি রাষ্ট্র অধিকতর মনোযোগী ।

আশা করি, এই ঘটনায় রাষ্টের সম্বিত ফিরে আসবে। রাষ্ট্র বুঝুক, সকল অত্যাচারের একটা শেষ আছে । একটা পাল্টা ফলাফল আছে, ভয়ানক সে ফলাফল ।