ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

জামাত ধর্মের ব্যবহার কখনো ছাড়তে পারবে না। কেননা, ধর্মই তো তাদেরকে এত এত কাল ধরে টিঁকিয়ে রেখেছে।

৭১ এ যখন নির্বিচারে গনহত্যা করেছে তখনও তারা বলেছে, ইসলামের শত্রুদের ধ্বংসের কথা।

তারা যখন ২০০১ এ ১০,০০০ এর উপর হিন্দু নারীদেরকে ধর্ষন করেছে, তখনও তারা ধর্মীয় ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছে, ঐ হিন্দু নারীরা এই মুসলিম দেশে গনিমতের মাল।

শিবিরের সদস্যরা যখন প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে তখন তারা তা বায়ুতুল মাল সংগ্রহ বলে চালিয়ে দেয়।

যখন কোন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবিকে তারা হত্যা করার জন্য মনস্থির করে, তখন তারা ধর্মকে ব্যবহার করে ঐ বুদ্ধিজীবিকে নাস্তিক/কাফির/মুরতাদ বলে ফতোয়া দেয়।

যখন শিবিরের কোন সদস্যের কাছে পর্ণ মুভির সিডি পাওয়া যায়, তারা বলে-জ্ঞান অর্জন করতেছি, জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ফরজ।

জামাত-শিবিরের কর্মীরা যখন বেশ্যার দালালিতে ধরা পরে তখন বলে, আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন ব্যবসাকে হালাল করেছেন।

যখন হোটেলের কোন রুমে পতিতা সহ তারা গ্রেফতার হয় তখনও তারা বলে, সোহবত আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত তা অপরাধের কিছু না।

কেউ যদি তাদের অপরাধের কথা বলে অথবা কোন সরকার যদি তাদের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করে, তখন ঐ সব ব্যাক্তি কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে তারা “ইসলাম নির্মূলের ষড়যন্ত্র করছে” বলে সারা দেশময় অপপ্রচার শুরু করে।

কিন্তু তারা জানে না, সব সময় ধর্মের এসব অপব্যাখ্যা মানুষ খায় না।

এটা তারা ৭১ এ দেখেছিল কিন্তু শিক্ষা নেয়নি এবার তারা দেখবে এবং আশা করি জীবন দিয়ে বুঝতে পারবে।