ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

এই সেই দিন, যে দিনে ঘটেছিলো পর্দার আড়ালে লড়ে যাওয়া কিছু দুঃসাহসী স্বপ্নবাজ তরুন-তরুনীর চেতনার মহাবিস্ফোরণ। কোন রাজনৈতিক ব্যানারে না হয়েও তারা তাদের স্বপ্নের পক্ষে জড়ো করেছিলো লাখো লাখো জনতা। নিজেদের স্বার্থের স্বপ্ন নয়, এ ছিলো কেবল মাত্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন, গনহত্যাকারীদের ন্যায়বিচার, পাকিস্থানপন্থি রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতি আজন্ম ভালোবাসায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন।

এই সংগ্রাম আওয়ামীলীগের ক্ষমতাকে পরোক্ষভাবে জনসমর্থন জুগিয়েছে। আওয়ামী লীগে ফের ক্ষমতায় এসেছে আর উল্টোদিকে বেঘোরে জীবন দিচ্ছে এই সব তরুন-তরুনীরা, দেশ ছেড়ে অনেকেই যেতে বাধ্য হয়েছে।

আরেকদিকে আওয়ামী লীগের টিকেটে এমপি হয়ে বদি করে ইয়াবা ব্যবসা, লতিফ তো সরাসরি বঙ্গবন্ধুকেই অপমান করলো, লিটন গুলি করে আহত করলো এক শিশুকে, শেখ হাসিনার মৃত্যু কামনাকারী মনির পায় সরকারী সুবিধা; এসব কোন দিকে এখন আর আওয়ামী লীগের নজর নেই। তাঁরা এখন আত্মতৃপ্তিতে বিলীন। পাছে ভুলে গেছে তাদেরকে ক্ষমতায় আনার পেছনে আত্মদানকারীদের সব অবদান।

আওয়ামী লীগ ক্রমশই একা হয়ে যাচ্ছে, এটা হয়তো প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা ও বুঝতে পারছে না। চারেদিকে সাম্প্রদায়িক মৌলবাদীরা চাপাতি শানাচ্ছে, তাদের শেষ এবং অন্তিম টার্গেট শেখ হাসিনা। আজ যাদের মৃত্যু আপনাকে বিচলিত করে না, কাল তাদের রক্ত অতিক্রম করেই আপনি এবং আপনার পরিবারের দিকে ধেয়ে আসছে খুনমাখা চাপাতি।

গণজাগরণ দীর্ঘজীবী হোক। নেত্রী আপনিও। জয় বাংলা।

slide