ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

 

আড়িয়ল বিলের মোট আয়তন :
দৈর্ঘ্য ২৬ মাইল, প্রস্থ ১০ মাইল (২৬০ বর্গমাইল)।
১,৬৬,৬০০ একর জমি।
নোট : এ আয়তন শস্যক্ষেত্র, জলাশয় এবং জনবসতি সহ।

অধিগ্রহণ চাহিদা :
বিমানবন্দরের জন্য ১০,০০০ একর এবং উপশহরের জন্য ১৫,০০০ একর। মোট ২৫,০০০ একর।
২৫,০০০ একর জমির মধ্যে আছে শ্রীনগর উপজেলা থেকে ১৪টি মৌজা, নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকে ১৮টি মৌজা এবং দোহার উপজেলা থেকে ৭টি মৌজা।

২৫,০০০ একর জমির বার্ষিক শস্য ও মাছ উৎপাদন ক্ষমতা :
৪০,০০০ মেট্রিক টন ধান (প্রায়)।
৭০০ মেট্রিক টন মাছ (প্রায়)।
১০,০০০ মেট্রিক টন সবজি ও রবিশস্য (প্রায়)।

প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আশংকাকৃত বেকারত্ব :
স্থানীয় : ১০ লক্ষ জন।
মৌসুমী : ১ লক্ষ জন (বাৎসরিক)।
সূত্র

একজন নয়, ছোট্ট এক গোষ্ঠীও নয়। গুটিকয়েক দালাল ছাড়া বাকি সবাই, মাটিতে বোনা সব বিলমানুষের দাবি “বিমানবন্দর চাই না।” এ দাবি মিথ্যা হতে পারে না। মোটা সুতার গামছায় ঢাকা এসব উর্বর মাটির মন মিথ্যা বলবে না। ওরা বলছে “এ বিলে এক মৌসুমে যে ফসল হয়, অন্য জমিতে তিন মৌসুমেও এ ফসল হয় না।” সন্তানের মতো আদুরে এ মাটি নিয়ে মিথ্যে গল্প নয়। “এক টুকরো জমিও অনাবাদি নয়।” সাংবাদিকদের গাড়িতে উঠিয়ে দিচ্ছে তার প্রমাণ। কৃষকরা দৌড়াচ্ছে মোবাইল ফোনের রিংয়ে, কৃষক ছুটছে মসজিদের মাইকের আওয়াজে। বৃদ্ধা কৃষানী বাঁশের কঞ্চি নিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসে ছুটে আসছে সন্দেহজনক সরকারি সার্ভেয়ারের মাথা ফাটাতে! এ বৃদ্ধার রক্তে ভয় নেই। এখন রক্তেই তার অধিকার। এরা বোকা নয়, এরা আধুনিক ফরমালিন মানব নয়। একেবারে সলিড পুষ্টির সলিড রক্ত মাংসে গড়া বুদ্ধিমান মানুষ। এরা বুঝে গেছে মাটির দাবি, চিনেছে মাটির রং। শত্রুর আগমন সংকেতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে গ্রামের মোড়ে মোড়ে। না, এদের প্রাতিষ্ঠানিক কোন প্রতিরক্ষা জ্ঞান নেই। কিন্তু জানে, কোথায় দাঁড়ালে প্রাণের বিলকে বাঁচানো যাবে। কাকে গ্রামে ঢুকতে দেবে, কাকে দেবে না। (দুরাবস্থা দেখুন)

আড়িয়ল বিল কখনো শাসকের হতে পারে না। এ বিলের মালিকানা বিলমানুষদের। বিমান ওঠানামার শোঁ শোঁ ভোঁ ভোঁ ‘র চেয়ে ধানের শীষের শীষতোলা বাতাসের চিকন সুরেই এসব মানুষদের আনন্দ। আড়িয়ল বিল হচ্ছে বাংলাদেশে পরিকল্পিত চাষাবাদের অন্যতম বিল। এখানে সেচের সমস্যা নেই। পুরো বিলে আছে পর্যাপ্ত ডেঙ্গা (বড় পুকুর)। যেখানে মাছ এবং ফসলের চাষে পানির যোগান হয় সমান তালে। মাটির যে উৎপাদন উত্তেজনা, কৃষকের শৃঙ্গারে তার ষোলআনা উসুল হয় এখানে। আড়িয়ল বিলের চেহারা আর বাংলাদেশের চেহারা একই রকম। আমরা সবুজের আধুনিকায়ন লাল দিয়ে করতে চাই না। সবুজ আরো সবুজ হবে, বিস্তৃত সবুজ। মাটির গায়ে মার্বেল পাথর দিয়ে আমাদের মাটিসভ্যতা ধর্ষন করতে চাই না। এ মাটি পরিত্যক্ত নয়, এ মাটি অহেতুক নয়। এ মাটিতে ফসল এবং শ্রমের যে সংগম, তা অভূতপূর্ব।

নতুন শহর চাই না (আমি দু:খিত যে, “না” শব্দটি বেশি উচ্চারণ করতে হচ্ছে, এর জন্য লজ্জিত)। শিল্প নগরী খুলনা ফিরিয়ে দাও, আমার মংলা ফিরিয়ে দাও। চট্টগ্রামকে কেন আরেকটি বসবাসের অনুপোযোগী শহর বানানো হচ্ছে? রংপুরের মানুষ কেন তামাকের বাইরে যাচ্ছে না? রাজশাহীর মানুষ কেন আম খেতে পারে না, সে আম কোথায় যায়? আমার আদমজী কোথায়? পাট কোথায়? তোমরা আমাদের ঐতিহ্য খাওয়াচ্ছো ঘুনপোকা দিয়ে আর স্বপ্ন দেখাও নতুন শহরের। তোমাদের বিশ্বাস নেই, তোমরা প্রতারক।

আমার বিশ্বাসঘাতক শাসক, যে তুমি ১০ লাখ লোকের স্বপ্নে এভাবে উষ্ঠা মারতে পারো, সে কিভাবে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বর্গা চাও! এসব কোন রূপকথার কাব্য হতে পারে, স্বাধীন বাংলাদেশের শাসকের ইতিহাস হতে পারে না। রূপকথার ভিলেনরা এরকম হয়। আমাদের নিযুক্ত প্রশাসকের চেহারা এতো বর্বর হতেই পারে না। মন্ত্রী এমপি হবার লোভ দেখিয়ে তরুন যুবার জীবন বনসাই করে রাখো, কতো স্বপ্ন, কতো মেধার নির্মম হত্যায় তোমাদের পিঠ রক্ষা হয়। একর প্রতি ১০০ মন ধানে ১০ লাখ লোকের পেট রক্ষা হয়। তোমার পিঠের চেয়ে আড়িয়াল বিলের মানুষদের পেটের দাম অনেক বেশি। পিঠ নয়, আমরা পেট বাঁচাতে চাই; মানুষের স্বপ্ন বাঁচাতে চাই।

“জান দেব তবু মাটি দেব না, রক্ত দেব তো জমি দেব না, কৃষক ও জেলের পেটে লাথি মারা চলবে না”-শ্লোগানে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন রক্তের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। মারমুখী জনগনের জঘণ্যতম শত্রুর যায়গায় সরকারের অবস্থান। সরকারি চাকরতো বটেই, সরকার পক্ষের সাংবাদিকরাও ওদের ক্রোধ এবং পঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে রেহাই পাচ্ছে না। আড়িয়াল বিলের ২৫ হাজার একর জমি চলে গেলে আর বিলের কিছু থাকে না। “ওরা আমাদের টাকার লোভ দেখায়, টাকা দিয়ে আমরা স্বপ্ন বিক্রি করবো না”- সরকারের কর্মকর্তাতের মতো মূর্খ নয় আড়িয়াল বিলের মানুষরা। প্রকৃতি থেকে শেখা এসব মানুষ জানে, আড়িয়াল বিলের মাটি আর পানিতে লুকিয়ে আছে ওদের স্বপ্ন শৈশব।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, আড়িয়ল বিল হচ্ছে দুই ফসলি জমি; যেখানে এরই মধ্যে ৭ হাজার হেক্টর জমিতে ধান লাগানো হয়েছে। যেখান থেকে প্রতি বছর ২ কোটি টাকা আয় হয়। জলাশয় রয়েছে সহস্রাধিক। মাছ বিক্রি করে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি টাকা, মিষ্টি কুমড়া থেকে ৫০ লাখ টাকা, লাউ, বেগুন, করলাসহ অন্য মৌসুমি ফসল থেকে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকাসহ কোটি কোটি টাকা প্রতি বছর আয় হয়। (সূত্র)

বিলের মালিকদের দাবি- “আমরাতো কখনও বিমানবন্দর চাইনি। আমাদের দাবি হচ্ছে বিদ্যুত্, গ্যাস, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের। কিন্তু সে ব্যাপারে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। সরকার জোর করে অযাচিতভাবে আমাদের ওপর বিমানবন্দর চাপিয়ে দিচ্ছে।” জনগণের নির্বাচিত সরকার, জনগণের উপর কোন কিছু চাপিয়ে দেয় – এ তো দেখি দাসত্বযুগের রক্তচোষা স্বেচ্ছাচারীর কেচ্ছার মতো। কিন্তু জনগণ কি হারে? হারে না তো। বাংলাদেশে জেতার সময় কেবল জনগনই জেতে। হারার বেলায় সবসময় শাসকের হার হয়। বায়ান্ন, একাত্তর, নব্বই, নিকটবর্তী কানসাট- কবেইবা জনগন হেরেছে!

একদিকে “আড়িয়ল বিল রক্ষা কমিটি” অপরদিকে “সচেতন নাগরিক সমাজ!” এ সচেতন নাগরিকদের শীর্ষনেতা হচ্ছেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান। উনি আবার বিমানবন্দর স্থাপনে প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে দিবেন। এ মন্ত্রীর জন্মই হয়েছে বোধহয় নিজ এলাকায় একটি বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য। এমন বন্ধ্যা স্বপ্নবান লোক মন্ত্রী হয় কিভাবে! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পাশাপাশি এখন মন্ত্রীদের স্বপ্ন পূরণের দায় দায়িত্বও নিয়েছেন। কিন্তু তিনি যাদের চাকরানী, সে সাধারন মানুষের স্বপ্নের প্রতি কোন দরদ নেই। ২৫ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করা হলে শ্রীনগর উপজেলা থেকে ১৪টি মৌজা, নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকে ১৮টি মৌজা এবং দোহার উপজেলা থেকে ৭টি মৌজার ১০ লক্ষ মানুষ উচ্ছেদ হবে। এদের মধ্যে কেউ সচেতন নেই। কেউই মন্ত্রীর নেতৃত্বে মানববন্ধনে বিমানবন্দর স্থাপনের পক্ষে দাঁড়ায়নি। মন্ত্রীর পক্ষে আছে চিহ্নিত দালালরা।

মুন্সিগঞ্জের আড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর স্থাপনের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করছে আজহার গ্রুপ অব এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান শেখ মো. আজহার হোসেন। ৫ ডিসেম্বর রবিবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। এরা কারা? কালো টাকা বানানোর আশায় সময়ে সময়ে রাষ্ট্রের বিপক্ষে এ ধরনের শিয়াল কুকুরের দেখা মেলে। এদের নগরায়নের ডিজাইনে সাধারণ মানুষের কথা নেই। উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলো “যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা” শফিউল বাশার ভান্ডারী ও “বিশিষ্ট ব্যবসায়ী” শামসুদ্দিন আহমেদসহ মুন্সীগঞ্জ এলাকার “বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা।” “যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা” এবং “ভাষা সৈনিক”রা যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তার জন্য স্বাধীনতা পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব ক’জন সরকার প্রধানকে ফাঁসি দেয়া উচিত। ওইসব বীরের চেতনা কেন ধরে রাখা গেলো না? ওরা কেন বিক্রি হচ্ছে ধনিকশ্রেনীর কাছে?

ফাঁকে দেখে নিই আইন কি বলে :
প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০
২ (চ) “প্রাকৃতিক জলাধার” অর্থ নদী, খাল, বিল, দীঘি, ঝর্ণা বা জলাশয় হিসাবে মাষ্টার প্লানে চিহ্নিত বা সরকার, স্থানীয় সরকার বা কোন সংস্থা কর্তৃক, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বন্যা প্রবাহ এলাকা হিসাবে ঘোষিত কোন জায়গা এবং সলল পানি এবং বৃষ্টির পানি ধারণ করে এমন কোন ভূমিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

৩৷ আপাততঃ বলবত অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন ও তদধীনে প্রণীত বিধির বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে৷

৫৷ এই আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যতীত, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার হিসাবে চিহ্নিত জায়গার শ্রেণী পরিবর্তন করা যাইবে না বা উক্তরূপ জায়গা অন্য কোনভাবে ব্যবহার করা যাইবে না বা অনুরূপ ব্যবহারের জন্য ভাড়া, ইজারা বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করা যাইবে না৷

৮ (১) কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অনধিক ৫ বত্সরের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

৮ (২) ধারা ৫ এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া যদি কোন জায়গা বা জায়গার অংশ বিশেষের শ্রেণী পরিবর্তন করা হয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নোটিশ দ্বারা জমির মালিককে অথবা বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তিকে নোটিশে উল্লেখিত জায়গার শ্রেণী পরিবর্তনের কাজে বাধা প্রদান করিতে পারিবে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে অননুমোদিত নির্মাণকার্য ভাংগিয়া ফেলিবার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্তরূপ ভাংগিয়া ফেলিবার জন্য কোন ক্ষতিপূরণ প্রদেয় হইবে না।

(৩) এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করিয়া যদি কোন নির্মাণকার্য সম্পাদিত বা অবকাঠামো তৈরী হইয়া থাকে সেই সকল অবকাঠামো আদালতের আদেশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে বাজেয়াপ্ত হইবে৷

শত শত থেকে হাজার হাজার, আন্দোলনের স্রোতে তা লাখ ছুঁই ছুঁই। মন্ত্রী মহোদয়ের ভাষায় “ওরা বিএনপি জামাত চক্র!” এসব হাস্যকর কথাবার্তার আড়ালে ১০ লাখ মানুষের সমর্থনে কোটি মানুষের বুকের ভেতর যে ঘৃনা জমছে, তার জন্য কঠিনমূল্য দিতে হবে আওয়ামীলীগ সরকারকে। আড়িয়ল বিল নিয়ে আন্দোলনকে ঢাকায় উঠতে দিচ্ছে না সরকার। ২৬ জানুয়ারী বুধবার একইসাথে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় ঢাকা-মাওয়া সড়ক এবং রাজধানীর মুক্তাঙ্গণে সংঘর্ষ হয়। আহত হয় ৩০ জনের ও বেশি উত্তপ্ত রক্তের মানুষ (সূত্র) । কিন্তু আন্দোলনতো ঢাকায় উঠে যাবেই। সরকারের শক্তি নেই মাটির উর্বরতা ঠেকিয়ে রাখার।

আশংকার কথা হচ্ছে প্রতিবারের মতো এবারও সন্ত্রাসী বাহিনীর সম্পৃক্ততা ঘটছে খুব নোংরাভাবে। বিমানবন্দর বিরোধীদের মুক্তাঙ্গনের সমাবেশে যোগদানের জন্য বাস বহরে হামলা করেছে বিমানবন্দর বাস্তবায়নের পক্ষের লোকেরা(!)। বলার অপেক্ষা রাখে না, এরাই পূর্ত প্রতিমন্ত্রীর ভাড়াটে লোকজন। ছি! কি জঘন্য!

আমরা বিমানবন্দর চাই না, নতুন শহর চাই না। ৫০হাজার কোটি টাকা দিয়ে প্রতিটি বিভাগীয় শহরকে প্রশাসনিক এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর করা হোক। ঢাকা শহরের যানজট নিরসন করা হোক। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান বন্ধসহ সীমান্তবর্তী শিশুদেরকে বিদ্যালয়ে পাঠানো এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হোক। বিভাগীয় শহরগুলো কার্যকর করলেই আমাদের আর নতুন শহর প্রয়োজন হবে না। রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্যাক্সিক্যাব চালক সামীর প্রস্তাবিত রোডম্যাপ যাচাই বাছাই করে বাস্তবায়ন করা হোক। আর সীমান্ত সুরক্ষিত হোক, সব রক্তের দাগ মুছে যাক। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ছোট্ট এ সংসারে আমরা একেবারেই খারাপ থাকবো না।

বিমানবন্দরের বিপক্ষে যারা :
বিমানবন্দরের বিপক্ষে আন্দোলন

বিমান বন্দরের পক্ষে যারা :

বিমানবন্দরের পক্ষের মানুষ

কোট টাই পড়া ভদ্রলোকদের কেন বিমানবন্দর আর বঙ্গবন্ধু সিটির এতো প্রয়োজন?