ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

ধর্মীয় উষ্কানী দেওয়ার কাজে তারা সবচাইতে এগিয়ে। ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা তাদের ধর্মীয় প্রজেক্ট বাস্তবায়নে হাত দেয়। একের পর এক ধর্মীয় প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করেই চলছে তারা। পৃথিবীর আর কোনো দেশ এরকম ধর্মীয় উষ্কানী দেওয়ার কাজে নিয়োজিত সরকার আছে কিনা জানিনা। তারা সবচাইতে বড় যে উষ্কানীমূলক কাজটা করেছে তা হলো সংখ্যালঘু মুসলমানদের গরু জবাই নিষিদ্ধ করলো। একইসাথে এই গরু জবাইয়ের মিথ্যা অভিযোগে কিছু সংখ্যালঘু মানুষকে হত্যাও করল। এই অবস্থা দেখে যখন তারকারা প্রতিবাদ জানানোর চেষ্টা করল তখন তাদেরকেও সরকারী দল হুমকি ধামকি দিতে থাকলো।

এই দেশ হলো সেই সভ্য দেশ যার নাম ‘ভারত’!

এবার নতুন প্রজেক্ট তাদের। আর তা হলো বাংলাদেশকে শেষ করে দেবার হুমকি! ঐ মূর্খরা মনে হয় জানেনা বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। তারা বাংলাদেশকে মনে করে তাদের অঙ্গরাজ্য।

আজ একটি পত্রিকায় দেখলাম,

“পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ উত্তেজক ভাষণ দেয়ায় রীতিমতো দক্ষ। সাবেক এই আরএসএস নেতা গত বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলার সিউড়িতে রীতিমতো হুমকির সুরে বলেছেন, যে সব নেতা, অভিনেতা, লেখক, গায়ক, শিক্ষাবিদ উগ্রপন্থা এবং সন্ত্রাসবাদকে মদত দেবে তাদের ধরে এনে লাথি মেরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে। সেই সঙ্গে বিজেপি নেতার সদম্ভ ঘোষণা, বোমার বদলে বুলেট দিয়ে পাকিস্তানকে ঠাণ্ডা করে দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বাংলাদেশকেও ঠাণ্ডা করে দেয়া হবে।’

ভারত বাংলাদেশের কাছে থেকে বিনামূল্যে এত সুযোগ সুবিধা পায় তবুও তাদের পেট ভরে না। বিনাপয়সা কথা বললে ভুল হবে, বিনিময়ে বর্তমান আওয়ামী সরকার বিনা ভোটে ক্ষমতার স্বাদ উপভোগ করছে। আর যেখানে বিনা ভোটে ক্ষমতার স্বাদ পাওয়া যায় সেখানে দেশ ও জনগন তুচ্ছ?

ভারতের উগ্রবাদী সংগঠন আরএসএস এখন বাংলাদেশকে ঠান্ডা করার হুমকি দেয়। আর তাদের বিজেপি সরকার চুপ করে কথাগুলো উপভোগ করে। তার মানে তারাও চায় এটা।

বাংলাদেশের উচিত এসবের প্রতিবাদ করা। এখনই ভারতের উগ্রতার প্রতিবাদ করতে না পারলে একসময় মাথায় উঠে বসবে কিন্তু আর নামবেনা! তাই সময় থাকতেই সতর্ক হওয়া উচিত্ । আর দলীয় স্বার্থ ত্যাগ করে দেশের স্বার্থ নিয়ে সবার ভাবা উচিত।