ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 
লাঞ্ছিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত মন্ত্রীর পা চেপে ধরে আছেন

লাঞ্ছিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত মন্ত্রীর পা চেপে ধরে আছেন

 

লাঞ্ছিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত এর সম্মানে গত কয়েকদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে সবাই কান ধরেছিল তাদেরকে এবার লজ্জায় দিলেন লাঞ্ছিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত! ঘটনাটি নিয়ে যে একটা রাজনীতি হয়েছে তা সহজেই বলা যায়। তিনি এবার পা স্বইচ্ছায় পা ধরলেন মন্ত্রীর

কিন্তু যারা কান ধরেছিলেন তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কান ধরেছিলেন?

যদি তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কান না ধরে থাকেন তাহলে লাঞ্ছিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত মন্ত্রীর পাধরার পর তাদের কোন প্রতিক্রিয়া কোথাও পরিলক্ষিত হচ্ছেনা কেন? যাইহোক আমাদের রাজনীতি এরকমই তা বোঝা গেল!

তাহলে পা ধরার মাধ্যমে কি শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত তার স্বীয় দোষ স্বীকার করে নিলেন?

লাঞ্ছিত শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত আপনি বাধ্য হয়ে কান ধরার জন্য যেটুকু সহানুভূতি অর্জন করেছিলেন তা এক সেকেন্ডেই স্ব-ইচ্ছায় পা ধরে বিসর্জন দিলেন। যারা আপনার প্রতি সহানুভুতিশীল ছিলেন তাদেরকে আপনি অপমানিত করলেন। পা ধরাটা আপনার জন্য কতখানি জরুরী ছিল? পা ধরে আপনি কি অর্জন করেছেন যা পা না ধরলে পেতেন না।

তবে হ্যাঁ যারা সেসময় আপনার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন না তারই সত্য প্রমানিত হলো। আপনি নিজেই তা প্রমান করলেন।

আপনার ঘটনায় যা বুঝা গেল তা হলো ‘সত্যিকার শিক্ষক হওয়া অত সহজ নয়’