ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মনোহর পারিক্কর দাবী করেছেন “ভারত ‘১৯৭১’ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে” ।এই দাবীটা কতখানি সত্য তা আমার জানা নেই। তবে সত্য না হলে অবশ্যই এধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তীব্র্র কেন হালকা কোন প্রতিবাদও দেখা যায়নি।এর কারন অজানা! এতে অবশ্যই আমার মত যারা স্বাধীনতার অনেক পরে জন্মগ্রহন করেছেন তারা বিভ্রান্ত হবেন- এটা নিশ্চিত করে বলা যায়।

বিএনপির পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ অবশ্য হয়েছে। সেজন্য বিএনপিকে ধন্যবাদ।বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদেরকে স্বাধীনতার পক্ষে দাবী করে ঠিকই। কিন্তু কাজের মাধ্যমে তার প্রমান পাওয়া খুবই দুষ্কর।

যারা নিজেদেরকে সবচাইতে বেশী স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবী করে তারা ভারতে বিষয়ে একবারেই শীতল। ভারত যতকিছুই বলুক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে তারা নিরব। আবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম নায়ক শহীদ জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার সকল ব্যবস্থা গ্রহন করেছে।

বিবেকবান মানুষের কাছে প্রশ্ন, কখনো কি কাউকে বা তার কর্মকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা সম্ভব?

আরেকটি ঘটনা হলো গতকাল বাংলাদেশের একটি টিভি চ্যানেল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষন সরাসরি বাংলাদেশে প্রচার করেছে। এধরনের একটি নোংরা টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল। এর কোন ব্যাখ্যা সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া যায় নি। এসবের অর্থ কি?

উপরোক্ত কোন ঘটনাই দেশের জন্য শুভ নয় বরং আশংকার বিষয়!