ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

গত কয়েকমাস আগে ভারতে গিয়েছিলাম পারিবারিক প্রয়োজনে। ফেরার পথে কলকাতা এয়ারপোর্টে এসে বাংলাদেশের কোন প্লেন পেলাম না। কারণ, যেখানে কলকাতা-ঢাকা স্বাভাবিক ভাড়া ৬-৭ হাজার টাকা, সেটা জনপ্রতি ঐ মূহূর্তে ছিল ২০ হাজার টাকা। যাই হোক পরবর্তীতে ট্রেনের খোঁজে বের হলাম। কিন্তু আমি কলকাতা শহরে এই প্রথম। এয়ারপোর্টের বাইরে এসে একজন ভাল ট্যাক্সি ড্রাইভার পেলাম তিনি আমাদেরকে আন্তরিকভাবে কলকাতা ঘুরালেন।

প্রথমে কলকাতা স্টেশনে গেলাম সেখানে বলে দিল ঢাকার টিকেট নিতে হলে সন্ধ্যায় আসতে হবে। একটা কথা বলে নেওয়া ভাল, দিনটা ছিল রবিবার আর সময় ছিল বেলা ১২টা। এরপর নিয়ে গেলেন ফেয়ারলি প্যালেসে সেখানে টিকিট পেলাম এবং বেশ ভাল লাগলো। কিন্তু যিনি টিকিট দিলেন তিনি আমার ১৩ মাসের বাচ্চারও ১০০% ভাড়া নিলেন। হয়তো এটাই তাদের নিয়ম যদিও প্লেনে আমার এই বাচ্চার জন্য সামান্য কিছু ভাড়া দিতে হয়েছিল।

ঢাকার রাজপথে গাড়ি চলে উল্টা পথে

ঢাকার রাজপথে গাড়ি চলে উল্টা পথে

এরপর সেখান থেকে ট্যাক্সি ড্রাইভার আমাদেরকে নিয়ে গেলেন একটি হোটেলে। সবচেয়ে ভাল লাগার বিষয়টা হলো কলকাতা শহরের ট্রাফিক সিস্টেমটা। ট্রাফিক না থাকলেও সবাই নিয়ম মানে যেটা আমাদের বাংলাদেশে একেবারেই সম্ভব নয়। কারণ প্রতিদিন সকলে ঢাকার রাজপথে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িগুলো উল্টোপথে চলে ট্রাফিক আর পুলিশ সার্জনদের সামনে দিয়ে। অনেক সরকারী কর্মকর্তার গাড়িগুলোও একই কাজ করে নিয়মিত। শুধু এম্বুলেন্স আর সাধারণ মানুষের গাড়িগুলো পরে থাকে জ্যামে। ঢাকা একটা দেশের রাজধানী হিসাবে না পারলেও একটি রাজ্যের রাজধানী হিসাবে কলকাতা পেরেছে।

ঢাকার রাজপথে গাড়ি চলে উল্টা পথে

ঢাকার রাজপথে গাড়ি চলে উল্টা পথে