ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

 

লা থেকে বুকের ভেতর অব্দি ইচ্ছের বিশাল এক মাঠ। এ প্রান্ত-ও প্রান্ত জুড়ে শুধু ইচ্ছে আর ইচ্ছে। ইচ্ছে গুলো ফলাতে গেলে অর্থের প্রয়োজন। অর্থ উপার্জন যতখানি হচ্ছে তাতে খরচাই মিটে না ইচ্ছে মিটবে কিভাবে?
মিটুক বা না মিটুক ইচ্ছে জমিয়ে রাখতে দোষের কিছু তো নেই। মাঠটার পরিধি দিনকে দিন বড় হয়ে আসছে, তাকে দমিয়ে রাখার কোন শক্তি আমার নেই। পকেটে পয়সা থাকলে মাঝে মাঝে নিজেকে অনেকটা শক্তিশালী মনে হয়। ছোট খাটো ইচ্ছে গুলো পূরণ করবার চেষ্টা করি। কখনো পূরণ হয় কখনো হয়না তবুও দমে যাইনা। আর দমে গেলেই বা কি হবে? ইচ্ছের জন্ম তো আর থেমে থাকবে না ওটা জন্মাবেই।

সাহারা সিটিতে সন্ধ্যেয় অনেক শিশুরা খেলতে আসে। তাদের দেখলে একটু-আধটু ইচ্ছে জাগে নিজেকে সাজিয়ে নেই পিতার রুপে। আমার যদি একটা মেয়ে থাকতো কেমন হতো? আজকাল রোজ-রাত্তিরে বাড়ি ফিরে সেলফোনটকে বালিশের নিচে সেই যে রাখি আবার সকাল বেলায় বাসা থেকে বের হবার সময় পকেট পুরে রাস্তায় নামি। অনেকদিন রাত জেগে কথা বলা হয় না। কথা বলার ইচ্ছে গুলো মরে গেছে। কেন মরে গেছে সেটা বলা খুব সহজ। আমি সেলফোনের কাছ থেকে হঠাৎ করেই ছিটকে গেছি হয়তোবা ছিটকে যাবার কথা ছিল।

পুরোনো অনেক ইচ্ছেই মৃত হয়ে যাচ্ছে। কলকাতার সেই কোলাহল, ঢাকার যানযট, ময়মনসিংহের ছাপাখানার মধুর শব্দ! আরও অনেক কিছু দেখার ইচ্ছে গুলোও মৃত হয়ে আসছে। আজকাল হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে লেখালেখি করার। বই-টই বের হবার মতো কিছু লিখছি না। ওরকম লেখা আমার হাতে নেই। আমি শুধু নিজেকে ধরে রাখতে লিখি। সেদিন একজন প্রশ্ন করলো, ধরে রাখতে মানে?

‘ধরে রাখা মানে, যদি না লিখি মাথার ভেতরে শব্দের অদ্ভুত যন্ত্রনা হয়….