ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

যুগ যুগ ধরে তামাম পৃথিবীর বুকে ইসলাম এর লেবাস ধরে কতিপয় ইবলিশ এর বংশধরেরা পৃথিবীর বুকে ইসলাম নামের পবিত্র সুমহান ধর্মকে বিতর্কিত করে তুলেছে। ওরা আসলে ইসলাম কে বাস্তবায়ন করার জন্য এমনটি যে করছে সেটি কিন্তু নয়। নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। বস্তুত ইসলাম ধর্মকে ভালোবেসে কিংবা মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগত হতে তাদের কর্ম গুলো যে ইসলাম বাস্তবায়ন এর জন্য হচ্ছেনা এটি আজ স্পষ্ট। ইসলামে এক দল। এক নেতা। ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ইসলাম সমর্থন করেনা।

আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ধর্ম ব্যবসায়ী যে অতি ব্যাপক আকার ধারণ করেছে সেটি আজ স্পষ্ট। এই ১৫ কোটি মানুষের আবাস ভূমিতে বর্তমানে ইসলামি রাজনৈতিক দলের সংখ্যা প্রায় ২৫ টির মতন। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সব দল গুলো ইসলামি আইন বাস্তবায়ন করার নামে ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারে সর্বদা ব্যস্ত। শুধু তাই নয় ক্ষমতার স্বাদ নেওয়ার জন্য কি না করছে আমাদের দেশের কতিপয় ইসলামিক রাজনৈতিক দল। এই ক্ষেত্রে সব চাইতে এগিয়ে জামাত।

জামাতের মুল পুঁজি ধর্ম। অর্থাৎ ধর্ম কে কাজে লাগিয়ে ইমোশনাল ব্ল্যাক মেইল করে ওরা ক্ষমতার রাস্তা আবিষ্কার করতে চায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ওদের মতন ধর্ম ব্যবসায়ী আর ২য় টি নেই। এই জামাত এর সাইদি বিভিন্ন তাফসিরুল কুরআন এর নামে ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধার করে বেড়িয়েছে। ২০০০ সালে চট্টগ্রামের লাল দিঘীতে এক ওয়াজ মাহফিলে তিনি বলেছিলেন-

ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম। যদি জেনে শুনে কেউ সেই নারী নেতৃত্ব কে ভোট দেয় তবে তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত।

কিন্তু সেই সাইদিরা খালেদা জিয়ার আচল তলে হারাম এর পরিবর্তে আরাম খুঁজে পেয়েছিলেন। শুধু আরাম নয় ক্ষমতার স্বাদ নিয়েও ছেড়েছেন এই ধর্ম ব্যবসায়ী জামাত গং।

জামাত ক্ষমতার স্বাদ নিয়ে ৫ বছর এই দেশে কি ইসলামি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন? জঙ্গিবাদ কি ইসলাম কায়েম এর স্ব রূপ? ৫ বছর ক্ষমতার স্বাদ যখন নিচ্ছিলেন তখন অন্য সব ধর্ম ভিত্তিক দল গুলো জামাতের দুশমন হয়ে গেল। চরমনাই এর দল তো বলেই দিল জামাত কোন ইসলামিক রাজনৈতিক দল নয়। ওরা ধর্ম ব্যবসায়ী। ইসলামি ঐক্য জোট শুধু নয় আরও ১০ টি ইসলামিক দল সেদিন জামাত কে ভণ্ড ধর্ম ব্যবসায়ী বলে আখ্যা দিয়েছিল।

(চলবে)