ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

বুঝে উঠতে পারিনা কি নিয়ে লিখব- একটি বিষয়ে লেখা শেষ না হওয়ার আগেই অন্য এতো সব বিষয় চলে আসে যে কোনটা ধরি আর কোনটা ছাড়ি বুঝতে পারিনা। দেশে এতো সব ঘটনা দুর্ঘটনা ঘটছে যে মানুষের এখন আর বিচার চাইতে মন চায়না। কার কাছে বিচার চাইবে, কোন অপরাধের বিচার চাইবে? একটি দেশের সরকার সকল রাষ্ট্র যন্ত্র যদি অপরাধ করার কাজে নিয়েজিত করে, সরকার যদি অপরাধকে অপরাধ বলে মনেই না করে, নিজেরা অপরাধ দূর করার পরিবর্তে বরং অপরাধ করেই চলে একটার পর একটা তাহলে আপনি কোন অপরাধের বিচার চাইবেন? কার কাছে বিচার চাইবেন? বিচারকের কাছে যদি বিচারের বানী কাঁদে নীরবে নিভৃতে- তাহলে মানুষ আর যাবে কোথায়। আমাদের চোখের সামনেই দেখছি খুনের দণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হাসিমুখে জেল থেকে বের হয়ে আসছে, আবার অন্য দিকে দেখছি একের অপরাধ অন্যের কাধে চাপিয়ে দিয়ে নিরপরাধ মানুষ জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আহাজারি করছে? সরকারের কাছে শুধু মিথ্যা আশ্বাস শূণ্যেই আমরা দিনাতিপাত করছি।

আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতির সময় যখন কাউকে বলতে শুনি আমি সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দেশের চরম অর্থনৈতিক মন্দার ক্রান্তিকালে যখন শুনি দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির অভাবে মানুষ হাহাকার করছে আর আমরা যখন শুনি ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা, দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিতদের কণ্ঠে যখন শুনি নিয়ম নীতির কথা, বিচারের আগেই যখন বিচারকের কণ্ঠে কাউকে চোর বদমাশ বলে আখ্যায়িত করতে দেখি- তখন মনের কষ্ট মনের ভিতরেই চাপা দিয়ে রাখি। কারন এ রকম অবস্থা দেখে আর কারো কাছে নালিশ জানাতে মন সায় দেয় না। অপেক্ষায় থাকি যদিবা কখনও সুদিন আসে। কিন্তু জানিনা আমাদের ললাটে এই সুদিন লেখা আছে কিনা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার বুঝি সময় হয়েছে আসল দিন বদলের, আর ভুল করলে বিরাট রকমের মাসুল দিতে হবে। আর যেন আমরা ভুল না করি নেতৃত্ব নির্বাচনে। তারাই জাতিকে নেতৃত্ব দান করুক যারা সত্যিকার অর্থে দেশ ও মানুষকে ভালোবাসে। ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে ধরাকে যারা সরা জ্ঞান করে- ধ্বংস হোক সেই নেতৃত্ব। আসুন আমরা সকলে এই লক্ষেই কাজ করি।