ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

ছবিঃচন্দ্রগ্রহণ দেখতেছি

ছবিঃপূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষন ক্যাম্পে আগত দর্শকের একাংশ

ছবিঃচন্দ্রগ্রহণের উপর বিশেষ প্রামান্য চিত্রও বড় পর্দায় প্রর্দশন করা হচ্ছে

গত ১০ই ডিসেম্বর ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রাঙ্গনে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছিল। অত্যাধুনিক টেলিস্কোপের দ্বারা প্রকৃতির এই বিরল মূর্হুত উপভোগ করার জন্য ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দমোহন কলেজসহ ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই পর্যবেক্ষন ক্যাম্পে এসেছিল ।এসময় চন্দ্রগ্রহণের উপর বিশেষ প্রামান্য চিত্রও বড় পর্দায় প্রর্দশন করা হয়।রাত ৮টা ৬ মিনিট থেকে শুরু হওয়া বছরের এই দ্বিতীয় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হয় ৫১ মিনিট ৮ সেকেন্ড সময় জুড়ে । উল্লেখ্য গত ১৬ জুন ২০১১ ছিল বছরের প্রথম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ ।এবারের চন্দ্রগ্রহণ এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ অঞ্চল থেকে পর্যবেক্ষন করা গেছে । একসময় চন্দ্রগ্রহণ-সূর্যগ্রহণ নিয়ে অনেক কুসংস্কার বা ভীতি সাধারণ মানুষের মাঝে লক্ষ করা যেত।এ সময় জলস্পর্শ না করার রীতি এখনো প্রচলিত রয়েছে। ‘গ্রহণ’ শব্দটার মাঝেই মিশে আছে এক ধরনের অশুভ অনুভূতি । বর্তমানে টেলিস্কোপ-ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার যুগে তা কতটুকু কেটেছে সে কথাও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। এখনও মানুষ ভাগ্য জানবার জন্য শরণাপন্ন হয় জ্যোতিষ বা গনকের ।কুসংস্কারের কারনে এখনও অনেক শিক্ষিত ব্যক্তি হাতের আঙুলে ব্যবহার করেন গনকের দেওয়া পাথরের আংটি ।তাবিজ-কবচ, ঝাড়-ফুঁক, পানি পড়া , গনক আর ওঝার দৌরাত্ন্য আজও প্রবল। এইসমস্ত অবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কুসংস্কারকে সমাজ থেকে নির্মূল করে ,প্রাকৃতিক ঘটনার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি সমাজে ছড়িয়ে দেয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ(বা.কৃ.বি শাখা)এবং ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সায়েন্স ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে এই পর্যবেক্ষন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয় ।