ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

বাংলাদেশ একটি গরিব দেশ। এদেশের অনেক মানুষ এখন দুবেলা ঠিক মত খেতে পায় না। তারপরেও জীবিকার সন্ধানে তাদের এক জেলা থেকে আর এক জেলায় যেতে হয়। এদের প্রধান যানবাহন হল ট্রেন। কারন সস্তায় তারা এক জেলা থেকে আর এক জেলায় যেতে পারে। এছাড়া নিরাপত্তা ব্যাপারটাও আছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশে যত গরিব ও নিম্নবিত্ত লোক প্রতিদিন যাতায়াত করে তার ৯৫% মানুয় ট্রেনে যাতায়াত করে। এত গেলো নিম্নবিত্ত এর কথা এখন ধরা যাক মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের কথা। রেল পরিবহন ব্যবস্থা এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একি সাথে উচ্চ , মধ্য ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা থাকে। এখন পর্যন্ত ট্রেনে ভাড়া যত ছিল তা ছিল নিম্ন ও মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে কিন্তু ০১/১০/২০১২ইং তারিখ থেকে যে ভাড়া করা হচ্ছে তা অযৌক্তিক। আগে রাজশাহী থেকে ঢাকার ভাড়া ছিল ১৬৫ টাকা। বর্তমানে তা করা হয়েছে ৩১৫ টাকা। উল্লেখ্য রাজশাহী থেকে ঢাকার বাস ভাড়া ৪০০ টাকা। একুই ভাবে দিনাজপুর, রংপুর অঞ্চল থেকে যেসব ট্রেন ঢাকা যায় সেগুলোর ভাড়া ছিল ১৮০ টাকা যা বর্তমানে ২৯০ টাকা করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশে প্রত্যেক রুটে এই রকম ভাবে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এই ভাড়া বাড়ানো পক্ষ সরকার বলছে যাত্রি সেবার মানের কথা। কিন্তু আমার প্রশ্ন রেলের ভাড়া বাড়িয়ে কি শুধু যাত্রি সেবার মান বাড়ান যায়। রেলে যত দুর্নীতি তা কি কখন দুর করা যাবে। প্রতি দিন ট্রেনে যত তেল চুরি হয় তার কোন হিসাব নাই। শুনেছি এইসব তেল চুরির টাকা উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত ভাগ পায়। আমার সরকারের কাছে প্রশ্ন বাস ও ট্রেনে ভাড়া এক সমান করে কি জনগনের সরকার হওয়া যায়। আমরাও চাই রেলের ভাড়া বাড়ুক কিন্তু তা যৌক্তিক পর্যায়ে থাকতে হবে। রাজশাহী থেকে ঢাকার ভাড়া ১৬৫ থেকে ২০০ টাকা করা হক। এ অযৌক্তিক ভাড়া অবিলম্বে কমান হক।