ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আবারো একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে তুলোধুনো করলেন, ব্যর্থ বললেন। কোন প্রেক্ষিতে তিনি এই কাজটা করলেন তা যদিও এখানে লেখা উচিত কিন্তু কি এক অজানা খারাপ লাগায় আমার লিখতে ইচ্ছে করছে না! লিঙ্কটা অনুগ্রহ করে পড়ে নিবেন! প্লিজ!!!

এর আগেও তিনি এই কাজটা করেছেন, কাদের সাথে করেছেন, তা আমরা সবাই জানি। সেইসব ব্যক্তি, যাদের আমরা সবাই ভাল মানুষ, জ্ঞানী মানুষ, আলোকিত মানুষ হিসেবে চিনি জানি। তাদের নাম নতুন করে আর লিখতে ইচ্ছে করছে না! ভাল লাগছে না!

শুধু এটুকু বলবো, জনাব এ বি এম মুসা’র মত একজন প্রবীণ সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাংবাদিককেও তিনি চরম ভাষায় অপমান করেছেন। আর এই জনাব মুসা গত ৩৮-৪০ বছর ধরে আওয়ামীলীগ তথা বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার জন্য পত্র পত্রিকায় বিপরীত স্রোতে দাঁড়িয়ে লাখ লাখ লাইন লিখে গেছেন। আর তার পরিণাম এই …… থাক লিখতে ইচ্ছে করছে না! … এটা তার প্রাপ্য ছিল না!

এবারের ব্যক্তিটি জনাব আকবর আলী খান। জনাব খানের পরিচয় আর নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, মনে হয় আমরা বাংলাদেশীরা কম-বেশী সবাই তাকে চিনি জানি। কি তার অপরাধ? তিনি একটা নিজস্ব মত প্রকাশ করেছেন, সেটা পছন্দ হয়নি? তাই এই গালমন্দ?

একজনের মত পছন্দ না হলেই তাকে গালমন্দ করতে হবে? এটা কি গণতন্ত্রের নতুন ভার্সন? এর আবিষ্কারকের নাম কি? আর এটা কি শুধুই আমাদের দেশের জন্য? নাকি বিদেশেও রফতানীযোগ্য? জাতিসঙ্ঘেও উপস্থাপন যোগ্য? নোবেল পাওয়া যাবে এতে?

পত্রিকার রিপোর্টটিতে আরও দেখলাম সেখানে বলা হয়েছে, “এই ব্যক্তি সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের সময়ে একজন উপদেষ্টা ছিলেন। তখন তিনি নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছেন”।

পড়ে আমার মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল। আমার বলতে ইচ্ছে করছে, “আরে উনারা নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই না আপনারা আজ ক্ষমতায়। বড় বড় রুই-কাতলের মাথা খেতে খেতে বড় বড় কথা বলতে পারছেন! না হলে আপনারা কোথায় থাকতেন? কি পরিণতি হত আপনার তেলবাজ চ্যালা-চামুন্ডাদের? আর দেশটারই বা কি হত?”

কেন শুধু শুধু ভাল, নিরীহ, জ্ঞানী মানুষদের অপমান করছেন? অনুগ্রহ করে বন্ধ করুন এইসব! মানুষকে কথা বলতে দিন, প্লিজ!