ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

ঠগিদের ইতিহাস পড়ছি আবারো, ভয়ংকর সব তথ্য জানতে পারছি নতুন করে! কমপক্ষে ২০ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে- যাদের প্রায় সবাই ছিল পথিক, ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ, তারা খুন করেছে কয়েক শতাব্দী ধরে এই ভারতবর্ষে এবং তাদের একটা বড় কর্মক্ষেত্র ছিল এই বাংলায়। আর তাদের এই কাজের প্রধান অস্ত্র ছিল ৩০ ইঞ্চি লম্বা হলুদ রঙের একটা রূমাল আর মিষ্টি কথা।

নিখুঁত প্লানে শুধুমাত্র ফাঁস লাগিয়ে খুন করেই ঠগিরা ক্ষান্ত হয়নি, খুন হয়ে যাওয়া প্রতিটি মৃতদেহের হাড়গোড় ভেঙ্গে বিশেষ পদ্ধতিতে মাটিতে পুতে গুম করে ফেলতো তারা, যাতে করে লাশ ফুলে উঠতে না পারে এবং দ্রুত পচে যায়। এমনকি শেয়াল কুকুরও যেন লাশের খোঁজ না পায় তাও নিশ্চিত করা হত পুতে ফেলার সময়।

তারপর, সেই পুঁতে ফেলা মানুষদের কবরের উপর বসে মা ভবানীর প্রসাদ হিসেব দলবেঁধে গুড় খেত আর প্রার্থনা করত নতুন শিকারের আশায়! ওদের বিশ্বাস ছিল এই গুড় যে খাবে সেই চিরদিনের জন্য ঠগি হয়ে যাবে।

—- ভাগ্যিস ! মাটিতে বসে আমি কারো দেওয়া গুড় খাইনি !!!