ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

খবরটা পড়ে পুনরায় আঁতকে উঠলাম! জানলাম, এখন মাছে শুধু ফরমালিনই ব্যবহার করা হচ্ছে না, মাছকে তাজা দেখানোর জন্য সেটার কান্তার মধ্যে কাপড়ের লাল রঙও ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি মাছে ঢেঁড়সের রস- যা কিছুটা পিচ্ছিল ও আঠালো, তাও ব্যবহার করা হচ্ছে। এই রস মাছের গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে- মাছে তাজা ভাব ফুটিয়ে তোলার জন্য। এইসবই করা হচ্ছে আবার “বেশী দামে ভাল মাছ খাওয়ার” বিজ্ঞাপন টাঙ্গিয়ে!  মানে যে দোকানে এই ভেজাল মিস্ত্রিত মাছ ভ্রাম্যমাণ আদালত ধরেছে, সেই “মামা–ভাগিনা ইলিশ মাছের দোকানে”র সাইনবোর্ডে লেখা আছে “যার মান ভালো, তার দাম ভালো’।

আমি বাজার থেকে সাধারণত: এইসব মাছ গুলোই কিনে থাকি কিছুটা ভেজাল ফ্রি মাছ খাওয়ার জন্য। এখন দেখছি, এতে আরও বেশি ভেজাল! ফরমালিন তো আছেই, সাথে ডায়িং কেমিক্যাল ফ্রি !!!

শুধু মাছই নয়, ফরমালিন আছে আম, লিচু সহ বাজারের সবধরনের মৌসুমি ফলেও!

আসলে জাতি হিসেবে আমরা এতটাই পচে গেছি যে, কোন আর্থিক আইন বা জেল জরিমানা দিয়ে এসব থেকে আর আমাদের আর মুক্তি মিলবে না। তাই চাই টরট আইন (Tort Law)! মানে শাস্তি হিসেবে নগদে মাইর !!!

প্রতি অপরাধ ১০০ বেত চাই, প্রকাশ্যে !!!