ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, স্বাস্থ্য

 

[ছবি ক্যাপশন: ইবোলা যে আসল – তা প্রচারের জন্য সাঁটানো দেয়াল লিপি!]

সন্দেহটা অনেক আগে থেকেই ছিল আফ্রিকার কালো মানুষদের মধ্যে, যে ‘ইবোলা’ তাদের ধ্বংস করার জন্য সাদা মানুষদের একটা চাল অর্থাৎ এই রোগ তাদের মেরে ফেলার জন্য ছড়ানো হয়েছে! এছাড়াও আরও একটা ধারনা তাদের ছিল; আর সেটা হল- তারা যেন আর বন্যপ্রাণী না খায় তাই এই রোগের গুজব ছড়ানো হয়েছে অর্থাৎ বন্য পশু-প্রাণী রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বা বিলুপ্ত হওয়ার পথে যেসব প্রাণী আছে তাদের রক্ষা করার জন্যই এই ইবোলা ভাইরাস ছাড়ানো হয়েছে!

মাংস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে একজন আফ্রিকানকে

তাই প্রথমদিকে সেইসব মানুষগুলো এই রোগকে ধর্তব্যের মধ্যে না নিয়ে ইচ্ছামত চলাফেরা করেছে এবং রুগীদের তাদের ইচ্ছামত চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করেছে। এরই ফলশ্রুতিতে এই রোগ আক্রান্ত একটা দেশে ইবোলা চিকিৎসাকেদ্র জনগণ আক্রমণ করার পাশাপাশি তা লুট করে চিকিৎসক-নার্সদের মারধর করে সেখানে থাকা সব রুগীদের কোলে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। আর মানুষের এইসব ধারণা ভেঙ্গে দেওয়ার জন্যই রাস্তাঘাটে লাগানো হয়েছে, “Ebola is Real’ লেখা সাইন বোর্ড। অবশেষে একটা নিউজ সোর্স পেলাম, যা বলছে- এই ইবোলা ভাইরাস দিয়ে অস্ত্র তৈরি করা হয়েছিল ১৯৮০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ডঃ ব্যাসন নামক এক নাম করা জীব বিজ্ঞানীর তত্বাবধানে। যার কোড নেম ছিল ‘Project Coast”। নিউজে আরও জানা যাচ্ছে এই প্রজেক্ট নিয়ে জনাব ব্যাসনের সাথে CIA এর মনোমালিন্য হয়েছিল সেই সময়ে। নিউজটার সত্যমিথ্যা যাচাই করার সামর্থ্য আমার নেই জাস্ট শেয়ার করলাম। বিস্তারিত আরও অনেক তথ্য আছে নিউজে/লিংকে।

আমার বিশ্বাস ও দ্বিধাগ্রস্ততা: আমি বিশ্বাস করি-

এই ‘ইবোলা ভাইরাস’ থেকে সৃষ্ট রোগটি অবশ্যই বাস্তব যা ভয়ংকর প্রাণঘাতী ও ছোঁয়াচে এতে কোন সন্দেহ নেই। এই রোগ হলে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত।

ইবোলা রোগের পর্যায় গুলো

আমি কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত এই কারণে যে-

Ebola - 5

১) এই রোগ কি আসলেই ন্যাচারালী ছড়িয়েছে নাকি বহুজাতিক ঔষধ কোম্পানিগুলো এই রোগের ঔষধ আবিষ্কারের জন্য ভ্যাকসিন টেস্ট করতে যেয়ে ভুলক্রমে ছড়িয়েছে বা তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই ছড়িয়েছ যাতে নতুন বাজার তৈরি করা যায়?

২) এইসব ঔষধ কোম্পানিগুলো কি আরও আগেই এই রোগের ঔষধ বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে রেখেছে যা তারা প্রকাশ করছে না এবং ইচ্ছা করেই এই রোগটাকে ছড়িয়ে পড়তে দিচ্ছে যাতে করে মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষ উৎসাহের সহিত এর ঔষধ কেনে অথবা বিশ্বসংস্থা গুলো এগুলো বেশী দামে তাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে বিশ্বব্যাপী টিকা কার্যক্রম চালায়?

৩) ইতিমধ্যেই কি ঔষধের কার্যকরীতা পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং অচিরেই ‘পারফেক্ট’ ঔষধের ঘোষণা আসবে?

— সত্য, মিথ্যা জানি না !?

২২/১০/২০১৪

আগের লেখা- ইবোলাঃ বাঁচতে ও বাঁচাতে হবে

ছবি সূত্রঃ Google

আপডেটঃ – ১

ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষদের রক্তের ‘সিরাম’ দিয়ে চিকিৎসার একটা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। চিকিৎসকগন এর মাধ্যমে ইবোলা আক্রান্ত বর্তমান ও ভবিষ্যতে আক্রান্ত মানুষদের সুস্থ করতে পারবেন বলে আশা করেন। এছাড়াও আগামী বছরের প্রথমেই আরও দুটি ঔষধ আসবে বলে জানা যাচ্ছে। লিংক

২৩/১০/২০১৪

আপডেট-২

Ebola -2

ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে পাঁচ হাজারের অধিক মানুষ ইতিমধ্যেই মারা গেছে।

Ebola

অপরদিকে আগামী মাস থেকে Doctors without border (MSF) পশ্চিম আফ্রিকায় এই রোগে আক্রান্ত রুগীদের চিকিৎসায় তিনটা ঔষধের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু করতে যাচ্ছে। লিংক

১৩/১১/২০১৪ রাতঃ ১০.১৭

আপডেটঃ ৩

Ebola - 3

ইবোলার ঔষধ/ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও তা পরীক্ষার খবরে বিশ্ববিখ্যাত ঔষধ কোম্পানি GSK – এর শেয়ার মূল্য গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পুড়ো খবর লিংকে

১৩/১১/২০১৪ রাতঃ ১০.৪৪

আপডেট-৪  

Ebola - Vachine

ইবোলার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে। বিশ্ববিখ্যাত ঔষধ কোম্পানি GSK এই রোগের ভ্যাকসিন টেস্ট করেছেন ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মানুষের উপর; যার ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক বলে জানা যাচ্ছে। আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আগামী বছরের প্রথমদিকে এর বাজারজাত করা হবে বলে জানিয়েছেন ঔষধ কোম্পানিটি। লিংক

২৭/১১/২০১৪ রাতঃ ৮.৫৮