ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

হরতাল অবরোধকে ছাপিয়ে বর্তমান বাংলাদেশে হট-টপিক হলো – বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম জিয়াকে ভারতের বিজেপি’র প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ’র টেলিফোন করাটা।

প্রথমে বিএনপি’র পক্ষ থেকে এই খবরটা বেশ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হয় এবং পরবর্তীতে এই দলের সমর্থক গোষ্ঠী বেশ উপভোগ করে বিষয়টা; দাবার গুটির চাল তাদের পক্ষে যাচ্ছে দেখে।

অপরদিকে, আওয়ামীলীগ ও তাদের সমর্থকগোষ্ঠী প্রথমে কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও; খবরের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে থাকে এবং এই বিষয়ে বাংলাদেশস্থ ভারতীয় দূতাবাসে খোঁজখবর নিতে থাকেএবং এক পর্যায়ে বের হয় খবরটা ভুয়া।

পরবর্তীতে ভারতের বিজেপি’র প্রেসিডেন্টকে সরাসরি এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি ফোন করাটাকে অস্বীকার করেন এবং বলা হয় বিএনপি’র পক্ষ থেকেই মূলত তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা হয়েছিল কিন্তু পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে তার পক্ষে ফোন ধরা সম্ভব হয় নাই অর্থাৎ সে কথা বলেনি।

বর্তমানে বিএনপিও নাছোড়বান্ধা হয়ে বলছে- বিজেপি’র সভাপতিই ফোন করেছিলেন এবং তিনি ম্যাডামের স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নিয়েছিলেন।

এ তো গেল খবরের ডামাডোল-

এবার আসি আমার ধারনায়-

আচ্ছা ফোনটা কি বিজেপি’র সভাপতি আন্দালিব পার্থ করেছিল? কিন্তু তা অতি উৎসাহের কারণে বুঝতে ভুল করেছিল ম্যাডামের স্টাফরা? পরে রি-কনফার্ম করার জন্য তারা ভারতে ফোন করে জনাব অমিত শাহের সাথে কথা বলতে চেয়েছিল?

তবে কি এত ঘটনা আমাদের বিজেপি’র সভাপতি জনাব আন্দালিব পার্থ’র কারণে ঘটছে?

পার্টি নামে, সভাপতিতে এবং অ- তে কিন্তু ব্যাপক মিল; আবার সে যদি ইংরেজিতে কথা আর ল্যান্ড ফোনে কল করে থাকে! বিভ্রান্তির স্মভবনা কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যায় না !!!

অফটিপিকঃ আমাদের হয়েছে যত জ্বালা! না পারি খবরগুলো এভোয়েড করতে; না পারি চুপচাপ থাকতে! মরণ !!!

১১/০১/২০১৪, ৬.৩০ বিকাল। আপডেট