ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

সুইজারল্যান্ডের আচরণ দেখে পুড়াই টাসকি খেলাম। খবরে দেখলাম, তারা আমাদের RAB এর কেনা কিছু গোয়েন্দা সরঞ্জাম আঁটকে দিয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে। যার মধ্যে ছিল মোবাইল ফোনে আড়িপাতা এবং নজরদারি করার কিছু উচ্চ প্রযুক্তির মেশিন।

কথা হলো, এই সুইজারল্যান্ডের সুইস ব্যাংকগুলো হলো- সারা পৃথিবীর ড্রাগলর্ড থেকে শুরু করে পৃথিবীর যত স্বৈরাচার রাষ্ট্রপ্রধান আছে, আছে খুনি-ধর্ষণকারী, ডাকাত আর বড় বড় কুচক্রী রাজনৈতিক নেতা ও কর ফাঁকিবাজ ব্যবসায়ী; তাদের সবার লুটের টাকার একমাত্র নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এই ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র লুটের টাকাকে এই মানবাধিকারকে ফাঁক করনেওয়ালাদের নামে-বেনামে সঞ্চয়ের সুযোগই দেয় না? দেয় সারাজীবন গোপন রাখার গ্যারান্টি। আর এরা যদি একবার এই দেশের ব্যাংকগুলোতে তাদের চোরাই টাকা রাখতে পারে তাহলেই কেল্লাফতে; চোদ্দগুষ্টি নিয়ে সারাজীবনের জন্য ভোগের মাল সেফ। এছাড়াও এরা ফ্রি হিসেবে এই লুটেরাদের দিচ্ছে, নিজ নিজ দেশে আজীবনের জন্য নিরাপদে ছড়ি ঘোরানোর সুযোগ। এই সেদিন, সুইজারল্যান্ডের HSBC ব্যাংক তাদের ব্রাঞ্চগুলোর মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে থেকে টাকা পাচার করে এনে এই দেশে জমা রেখেছে; যার মধ্যে অনেক বাংলাদেশীর লুটের টাকাও আছে।

আর এই সুইজারল্যান্ডই আমাদের দেখাচ্ছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজুহাত। বলেন এত রাতে যাই কই?

 

১২/০৩/২০১৫ সকালঃ ১০.০২ আপডেটঃ ১৪/০৩/২০১৫