ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

আচ্ছা! প্রতি বছর আমরা কত কোটি লিটার ভাতের ফ্যান ফেলে দেই? আছে কোন হিসাব কারও কাছে? আছে কি কোন ক্যাল্কুলেশন, এক লিটার ভাতের ফ্যানে কত ক্যালোরি থাকে? বা আছে কত প্রোটিন ও খাদ্যপ্রাণ যা সহজেই মানব শরীরের জন্য উপকারী হতে পারতো?

ঘরে ঘরে প্রতিদিন যদি এই ফ্যান ফেলে দেওয়া না হতো; তাহলে বছরে কত কোটি লিটার খাবার বেঁচে যেত? আচ্ছা, এটা কি খাওয়া যায় না? এতে কি বিষ আছে? নাকি আছে চালের সবচেয়ে ভাল উপাদানগুলো? ভাতের নামে আমরা যা খাচ্ছি; তা কি আসলে এক ধরণের ছোঁবরা না? শিশুদের কৌটার দুধ না খাইয়ে এটা খাওয়ালে কি আমাদের জাত যেত? বা নিজেরা খেলে কি পেট ফেঁপে যেত?

আমার তো মনে হয়, খারাপ কিছুই হতো না। বরঞ্চ হতো অনেক উপকার!

আবার ধরেন, আমাদের যারা খাদ্য বিশারদ আছেন; তারা দেশী বিদেশী খাবারের নানা রেসিপি বানিয়ে- রসিয়ে রসিয়ে টিভিতে, ফেসবুকে, ব্লগে দেন; দেখান? তারা কি ভাতের ফ্যান দিয়ে নানারকমের রেসিপি বানিয়ে দেখাতে পারেন না? বিরিয়ানির সাথে বোরহানি না দিয়ে দিলেন ভাতের ফ্যানের ঝাঁকাস আইটেম? শিশুদের খাওয়ানো হবে; সেরেল্যাকের বদলে ‘ফ্যানের ডিস’! খিচুরী যখন রাঁধেন তখন কি এটা ফেলে দেন বা পোলাও বিরিয়ানী রাঁধার সময় কি করেন?

কি আপু’রা, দিদি’রা আপনাদের ভাবনা-চিন্তা কি? লজ্জা পাচ্ছেন নাকি এই অধমের কথা শুনে?

বলা যায় না; একটা নতুন রেসিপি কিন্তু আপনাকে ‘মাস্টার সেফ’ বানিয়ে দিতে পারে? আমাকে না হয় আইডিয়াটার জন্য কিছু নাইবা দিলেন? এক অক্ত খাওয়ালেই আমি খুশী!

নিবেন নাকি চান্স?

আচ্ছা! রাইস স্যালাইনটা যেন কি? ওটা কিন্তু সময়মত না পেলে; আমাদের মাথা গরম হয়ে যায় >>>

উদ্ভট চিন্তা – ১

২৭/০৪/২০১৫ দুপুরঃ ২.২১

নোটিশঃ ভাতের ফ্যান মূলক পোষ্ট বলে আপনারাও একে দাম দিলেন না; প্রিয় মডু ভাই বোনেরা? ভাতের ফ্যান এতই তুচ্ছ হইয়া গেল আপনাদের কাছে? সমানে তো খিচুড়ি-পোলাউ খান দেখি! ওগুলো স্বাদ লাগে?

০৭/০৫/২০১৫ দুপুরঃ ১.১৮