ক্যাটেগরিঃ ফটো

 

গত সন্ধ্যায় আমরা তিন বন্ধু; আমি একরাম আর ফারুক গেছিলাম ঢাকার নিউমার্কেটে একরামের বাচ্চাদের খেলনা কিনতে। যার যার জায়গা থেকে এসে প্রথমে আমরা বসুন্ধরা সিটিতে জড়ো হলাম; তারপর একটু খাস-গল্প করতে করতে আর মার্কেটের পিছনে যেয়ে ঝালমুড়ি আর পুড়ি-চা খেতে খেতেই দেখি মার্কেট বন্ধ হয়ে গেছে! আফটার অল ২২ বছর ধরে অটুট বন্ধুত্ব। সেই বিনোদপুরের ভাবীর ম্যাচ জীবন থেকে শুরু! যদিও একরাম ইতিমধ্যেই দেশের একজন বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর পর্যায়ে চলে গেছে; অবশ্য যদি একজন মনুবসু স্কলার আর পোষ্ট ডক্টরাল প্রফেসরকে বুদ্ধিজীবী বলা যায়? মাইন্ড ইট, ও কিন্তু আমাদের হালের বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর না! অপরদিকে আমার আর ফারুকের স্ট্যাটাস? সেই আগেও যা ছিল; এখনো তাই আছে- ঢাকা শহরে পরের বেগার খাটি আর চিল্লাই; লগে ভাব লই- মুই কি হনুরে!

তিনজনে এক রিক্সায়- সেই কবে উঠেছিলাম মনে করতে যেয়ে, মনে পড়লো গতবছর যখন রাশেদ দেশে এসেছিল, তখন! সেইদিনও আমি সীটের উপরে বসেছিলাম। এ এক জনম কপাল আমার; সেই ছেলেবেলা থেকেই- যখনই এক রিক্সায় তিন বন্ধু উঠতে যাই আমার সিট একটাই; আর সেটা হলো সিটের উপরে! গতকালও তাই করলাম। কিন্তু ট্রাফিক জামে আর কোমরের ব্যথায় অস্থির হয়ে নীলক্ষেতের সামনে যেয়ে বললাম, নাম শালারা হেঁটে যাই! এখানে বলে রাখি, বন্ধুমহলে আমাদের কথ্য ভাষা মানেই ‘স্ল্যাং’; ব্লগে ‘সাধু’! অবশ্য একে ‘গালি’ বলে ভ্রম না করতে বলবো।

নিউ মার্কেটে বাচ্চাদের আবদার মত খেলনা খুঁজতে খুঁজতে একরাম প্রায় হয়রান; আর আমি ঘুরি আর খুঁজি ‘সাবজেক্ট’! অবশেষে পেয়ে গেলাম এক আধমরা কাঁঠাল গাছ; যদিও তাতে ধরে আছে তরতাজা কাঁঠাল! ফারুক বলল, দেখলি এই অঞ্চলের মাটির গুণ; কত সোন্দর সোন্দর কাঁঠাল ধরছে?

নিউ মার্কেটের গাছে কাঁঠাল; তাতে তোর কি? তোর কি? বলতে বলতে আমি ছবি তুললাম!

আর পোষ্ট দিয়ে- আজ বাকি কাজ সারলাম!

২৮/০৫/২০১৫

slide