ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

কথা হলো- সমস্যা যেখানে গুরু, সমাধান সেখান থেকেই শুরু! আজ আমার পাশের ফ্ল্যাটের কয়েকটা যুবক ছেলে এই সমাধান নিয়ে এলো; দেখে আমি পুড়াই খুশি! পুড়ো ছাদ জুড়ে ওরা পলিথিন টানিয়ে দিয়ে তার মধ্যখানে একটা ফুটো করে দিয়ে নিচে একটা বালতি বসিয়ে দিয়েছে। পুড়াই অত্যাধুনিক সিস্টেম! এই ছেলেগুলোকে যদি ঢাকা শহরের মেয়র বা ওয়াসার এমডি বানানো হতো; তাহলে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমাদের এত ভুগতে হতো না! I salute them!

বালতি, ড্রাম দিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই আমরা দলবেঁধে বৃষ্টির জল ধরার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু তাতে তেমন কোন লাভ হচ্ছিল না; কারণ কম জল সংগ্রহ করতে পারছিলাম।

গত ১৫-২০ দিন ধরে আমাদের এলাকার ওয়াসার সব জলের লাইন আর স্যুয়ারেজ লাইন একাকার হয়ে গেছে। যদিও আগে থেকেই এই সমস্যা ছিল কিন্তু এত গুরুতর ছিল না; মাঝেমাঝে জলের লাইনে দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা জল আসতো এবং জানতাম তাতেও স্যুয়ারেজ লাইনের মিশ্রণ আছে। যেহেতু এই ঢাকা শহরে আমাদের বসবাস করতেই হবে তাই চোখ, নাক বুঁজে তা মেনে নিয়েছিলাম।

এবার এই সমস্যা ভয়াবহ হয়েছে কারণ একযোগে ঢাকার সব রাস্তা খুঁড়ে ফেলা হয়েছে; যদিও জানি বর্ষাকালে ঢাকা শহরে খোঁড়াখুঁড়ি নিষিদ্ধ কিন্তু কে শোনে কার কথা? ওই যে ‘জুন’ মাস এসে গেছে? কয়দিন পরেই পেট মোটা সব বিল তোলা যাবে! কাজ হোক আর না হোক! সরকারের উন্নয়নের পার্সেন্টেজ তো বাড়লো! তাতে যদি মানুষ ভোগে, বাচ্চারা ডায়রিয়াতে মরে যায়, মানুষ গু-মুতের জল খায়; তাতে কার কি?

আচ্ছা! আমি যদি রাগ করে জোচ্চোরদের ‘কুকুর ছানা’ বলে সম্বোধন করি; তাহলে কি আপনারা মাইন্ড খাবেন?

আগের লেখাঃ ভার্জিন রাস্তা ও লুটেরাদের যৌন সুখ!

২৬/০৬/২০১৫ দুপুরঃ ১.১৬

slide