ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

ব্র্যাক ব্যাংকের Bkash (বিকাশ) মানি ট্র্যান্সফার সার্ভিসের মাধ্যমে অতি সহজেই টাকা দেশের একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রেরণ করা যায়। এতে করে আমাদের দেশের গরীব ও খেটে খাওয়া লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হয়েছে- একথা বিনা দ্বিধায় বলা যায়। এত সহজে আর এত অল্প সময়ের মধ্যে টাকা লেনদেনের পদ্ধতি বের করাটা ছিল খুবই বিরল একটা আবিষ্কার! মাত্র একটা মোবাইল নম্বরই যথেষ্ট টাকা তোলার জন্য। আমার জানামতে- প্রায় একই রকমের একটা সার্ভিস এদেশে প্রথমে চালু করেছিল এস এ পরিবহন, যদিও সেটা আইনত বৈধ ছিল কিনা জানি না। কিন্তু ব্র্যাক ব্যাংক ‘বিকাশ’ দিয়ে বাজিমাত করেছে।

বিজ্ঞানের নিয়মের সাথে তাল রেখে এই বিকাশ সার্ভিসেরও কিছু খারাপ দিক ইতিমধ্যেই প্রকাশ হয়েছে; এর মধ্যে- মানুষ অপহরণ করে অতি সহজেই টাকা হাতিয়ে নিতে পারছে অপরাধীরা। এটা বর্তমানে বাংলাদেশে রীতিমত একটা বাণিজ্যের পর্যায়ে চলে গেছে। এমনকি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড থেকেও টাকা আদায় করেছে মানব পাচারকারীরা যা ইতিমধ্যেই দেশের পত্র-পত্রিকায় এসেছে। এছাড়াও আছে ঘুষ বাণিজ্য। অতি সহজেই ঘুষ লেনদেন করা যাচ্ছে এর মাধ্যমে; অফিসে বসে আর ঘুষ নিতে হচ্ছে না ভীতু প্রকৃতির ঘুষখোরদের। বিকাশ না থাকলে হয়ত তারা ঘুষই খেতে না! অনেকেই দেখি এখন ডায়ালগ দেয়, বিকাশ করেন!

এই সমস্যা রোধে কি বিকাশের সব কাউন্টারে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগানো যায় না? অথবা যে ব্যক্তি প্রেরিত টাকা গ্রহণ করছে তার কি আঙুলের ছাপ নেওয়া যায় না? এই দুটি কাজই ডিজিটালি সুন্দর করে একসাথে করা যায় বলে আমি জানি। এর জন্য দরকার ব্র্যাক ব্যাংকের সদয় ‘ইচ্ছা’ আর তা না হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটুখানি ‘প্যাঁদানি’! তাহলেই সমস্যার অনেকখানি সমাধান হয়ে যায়!

আপনারা কী বলেন?

উদ্ভট চিন্তা-৩

২৬/০৬/২০১৫ বিকালঃ ৫.১৫