ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

বুঝলাম তারা ভ্যাট দিবে না। ভাল কথা! পৃথিবীতে কেউই সহজে সরকারকে কর বা ভ্যাট দিতে চায় না! এটা সর্বদা এবং সবদেশেই জোর করে নেওয়া হয়! তা সেটা আমেরিকা, জাপান বা ভারতই হোক না কেন! সব দেশেই আইন এক। এসব দেশে খুন করলে মাঝে মাঝে মাপ পাওয়া যেতে পারে; মাগার ভ্যাট বা কর ফাঁকি দিলে মাইকেল জ্যাকশন থেকে শুরু করে মেসি বা শচিন টেন্ডুলকার কারও মাপ নাই! ধরা খাইলে নগদে জেল; আর না হলে কমপক্ষে ডবল জরিমানা।

একমাত্র বাংলাদেশে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়! এদেশে টাকা একবার নিজেদের পকেটে ঢুকাতে পারলেই হলো; কেল্লাফতে! এর মালিকানা এবার পকেটওয়ালাদের! সবকথার শেষ কথা হলো এদেশে ট্যাক্স ফাঁকিবাজদের দাপট বেশী!

মূল কথায় ফিরে আসি-

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র’রা ভ্যাট দিবে না; ভাল কথা! যেহেতু তারা টিউশন ফি বাবদ বছরে কয়েক লক্ষ টাকা দিতে পারছে তার মানে হচ্ছে তাদের বাবা-মা’রা ভালো আয় করেন। তারা নিশ্চয় সরকারের আয়কর গণ্ডীর মধ্যেই পড়ে? তারা কি সরকারকে আয়কর দেয়? দিলে কোন কথা নাই; কিন্তু না দিলে দুইখান কথা আছে! কিন্তু বোঝা যাবে কিভাবে যে তারা আয়কর দিচ্ছে?

তাই বলছিলাম কি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বাবা বা মা’র “Income Tax Return” -এর সার্টিফিকেট গুলো জমা দেওয়াটাকে বাধ্যতামূলক করা হোক! কমপক্ষে তিন বছরেরটা দিলেই হবে!

এতে করে বঙ্গদেশে মানুষের মধ্যে সরকারকে আয়কর প্রদানে উৎসাহ দেওয়া হবে; প্লাস তারা নিজেদের সুনাগরিকও ভাবতে পাড়বে! তাদের ছেলে-মেয়েরা গর্ব করতেও পাড়বে! ভবিষ্যতে যদি সরকার আবারও ভ্যাট আরোপ করতে চায় তাহলে তারা অন্ততঃ বুক ফুলিয়ে প্ল্যাকার্ড ধরে বলতে পাড়বে, “আমাদের বাবা’রাও Income Tax দেয়”!

শুধু শুধু দেহ মন দেওয়া নেওয়া কেন? শুনতেও তো খারাপ লাগে!

১২/০৯/১৫