ক্যাটেগরিঃ ভ্রমণ

আসুন দেখে নেই মালয়েশিয়ার ‘মেট্রোরেল’ রুটের একটা ছোট্ট অংশ। এটা এখনো চালু হয়নি। এটা কুয়ালালামপুরের অদূরে শাহ আলম এরিয়ার সুইগাই পুলোতে পড়েছে।

পুরো মালয়েশিয়াকে এরা ফ্লাইওভার আর মেট্রো দিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে গড়ে তুলছে। এই দেশের জনগণ ও তাদের সরকারকে স্যালুট জানাই! আর নিজ দেশের জন্য হা-হুতাশ করি!

মাঝে মাঝে আমাদের দেশের কিছু মানুষের কাজকর্ম দেখলে মনে হয়, চিন্তা করাই ছেড়ে দেই; তারচেয়ে বনে যেয়ে বাস করি!

যাকগে বেশি কিছু বলার নেই; কথায় আছে- বব্বরের আঠারো যায়গায় গু!

আমাদেরও হবে সেই দশা; বেশি দেরি নাই! অফটপিকে শুধু একটা কথাই বলার আছে, বাছাধনেরা ছাত্র আছো তাই চোখে রঙিন চশমা পড়ে ঘুরছো! কর্মজীবনে প্রবেশ করো, ট্র্যাফিক জ্যাম কাহাকে বলে টের পাবে! অফিসে এক মিনিট লেট করে আসলে যেদিন লাল কালির সাথে বসের গালি শুনবে, আর মাসে তিনদিন লেট খাওয়ার পর বস বলবে, “ফাক ইউ ম্যান! ইয়োর ওয়ান ডে সেলারি উইল বি ডিডাক্টেড ফ্রম ইওর নেক্সট পেমেন্ট”! সেদিন বুঝবে, জাতির পাছায় দেওয়া তোমাদের আঙ্গুল তোমাদের পাছাতেই গেছে! কাজ করেই তো খেতে হবে? নাকি খাবার, বাসা ভাড়া, ছেলে মেয়ের পড়ার খরচ আকাশ থেকে পড়বে? আরও টের পাবে যেদিন দেখবে- অসুস্থ বাবা-ভাইকে নিয়ে চড়া তোমাদের এ্যাম্বুলেন্সটাও জ্যামে আঁটকে আছে! তখন বব্বরের আঠারো যায়গা’র গল্পটা মনে মনে রিহার্সেল দিও, এই অভাগা কেন আজ এই কথা বলেছিল!

কারণ এই অভাগা যে এক সময় তোমাদের মতই ছাত্র ছিল! চোখে দেশি-বিদেশি নানা রঙিন চশমাও ছিল! বাই দ্যা ওয়ে- আমাকে এই প্রসঙ্গে একজন আঙ্কেল ডেকেছিল, তাই তোমাদের পুত্রসম ভেবে তুমি ডাকলাম! মাইন্ড খাইয়ো না আবার? সরি!

বাকিদের পড়ার জন্য ধন্যবাদ!

২০/০১/২০১৬ রাতঃ ১১.৪৯