ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

কেউ ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হলে তাকে সাজা না দিয়ে তার কৃত অপরাধকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা উচিত! এতে করে আমাদের দেশে-সমাজে ভুল বা অন্যায় স্বীকার করার একটা সংস্কৃতি চালু হবে! অন্যথায় সবাই ‘তালগাছটা আমার’ বলে এর মোথা শক্ত করে ধরে বসে থাকবে! ভবিষ্যতে কেউ আর ভুল স্বীকার করে বিপদে পড়তে চাইবে না! দেরীতে হলেও জনাব মাহফুজ আনাম ভুল স্বীকার করে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

১/১১ তে ওনার চেয়ে আরও বড় বড় মানুষেরা, প্রত্রিকার সম্পাদকেরা- আরও বড় বড় অপরাধ করেছেন। তারা একটুও অনুশোচনা না করে এখনো দিব্যি টকশোগুলোতে দেশ ও জাতিকে জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছেন। এইসব বড় মানুষেরা- সেদিন এক একজন ‘এজেন্ট’ হয়ে বড় বড় কর্পোরেট হাউজগুলোতে হামলে পড়েছিল। বিজ্ঞাপনের নামে, সংবাদ প্রকাশ করার নামে চাঁদাবাজী করেছিলেন।

আজ যারা মামলা করছেন, গলাবাজী করছেন- তাদের বেশীর ভাগই ১/১১ তে লুকিয়ে ছিলেন। হটাৎ পড়ে পাওয়া সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে নেত্রীকে খুশী করার একটা রাস্তা বের করেছেন; নিজেদের পদটাকে আরও উচ্চস্তরে নিতে চাইছেন। আবারও ১/১১ হলে এরা আবারও পালাবে!

এই লেখার মাধ্যমে আমি জনাব আনামের অপরাধকে খাট করে দেখাতে চাচ্ছি না; সেই ক্ষমতাও আমার নাই! তবে ছোটজ্ঞানে যা বুঝি- তা হলো সমাজকে নমনীয় হতে হয় নইলে একদিন তা মট করে কাঁচের মত ভেঙে যায়!

যে বস্তুতে নমনীয়তার যত অভাব তা ভাঙে দ্রুত ও মট করে; মর্মান্তিকভাবে!

সমাজও তাই >>>

উদাহরণঃ খ্রিস্টান ধর্মের মূল ধারা পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার এক হাজার বছর পর রোমান ক্যাথলিক প্রধান পোপ ও রুশ অর্থোডক্স চার্চের প্রধান প্রথমবারের মতো মিলিত হয়েছেন। অথচ একসময় এনারা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিলেন নমনীয়তার অভাবে!

১৫/০২/১৬