ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, ব্লগার উৎপল চক্রবর্তী স্মরণে, ব্লগালোচনা

উৎপল দা’র সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় হয়নি। আর হবে- তারও কোন সম্ভবনা নেই। তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। এই ব্লগে লেখাসূত্রেই তার সাথে আমার পরিচয়, তারপর ফেসবুকের বন্ধুত্ব। ব্লগ ও ফেসবুক পোষ্টেই মূলত আমাদের আলোচনা বা সম্পর্ক সীমাবদ্ধ ছিল। তাও ছিল খুবই সীমিত পর্যায়ে।

হয়ত সব মিলিয়ে হাতে গোনা ২০ থেকে ২৫টা লাইক-কমেন্ট হবে ব্লগ-ফেসবুক মিলিয়ে; তারপরও তার সাথে কীভাবে যেন একটা আত্মিক সম্পর্ক আমি অনুভব করতে শুরু করেছিলাম। আমার দিক থেকে যেটা বেশি ভাল লাগত-  তা হলো তার লেখার ভঙ্গি।

ভিন্নধরণের লেখার হাত ছিল তার, যা অন্য কারও সাথে মেলে না। তার রম্য লেখার ঢং ছিল তুলনাহীন। আমি আসলে তার লেখার একজন মুগ্ধ পাঠক ছিলাম।

তারপর হঠাৎ করেই তিনি একদিন আগুনে পুড়ে গেলেন। হাসপাতালে সপ্তাহ তিনেক ভুগে একটা কষ্টের মৃত্যু পেলেন। আমরা অনেক আশা করেছিলাম তিনি সুস্থ হয়ে যাবেন। ফিরে যাবেন তার প্রিয় পরিবারে। প্রাণপ্রিয় মেয়ে দুটিকে নিয়ে একটা রম্য লেখার সাথে একটা সেলফিও জুড়ে দিবেন ফেসবুকের পোষ্টে। ব্লগের মাধ্যমে আমাদের মাঝে আবারও হাজির হবেন ভিন্নধর্মী কোন লেখা নিয়ে।

এসব আর হবে না। সবই এখন স্মৃতি। যে স্মৃতি শুধুই দুঃখের।

আজ ২০ শে মে উৎপল দা’র প্রথম মৃত্যুদিবস। মৃত্যুবার্ষিকীকে তার প্রতি রইলো আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ব্লগ সমগ্রঃ ব্লগার উৎপল চক্রবর্তী স্মরণে

ছবি: আইরিন সুলতানা