ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

মালয়েশিয়ায় রাতের ফাঁকা রাস্তাতেও বাংলাদেশি চালক ট্র্যাফিক আইন মেনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখেন। আর ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন চলে ট্রাফিক আইন না মানার প্রতিযোগিতা।

ব্যতিক্রম হচ্ছে সেনানিবাসের রাস্তা।  এখানে  ‘আইনের কড়া বাস্তবায়ন’  থাকায় লাইন ধরে রাস্তার একপাশ দিয়ে রিকশা চলছে, অন্যপাশ দিয়ে চলছে গাড়ি।

কচুক্ষেত থেকে সৈনিক ক্লাব পর্যন্ত প্রায় বিনা বাধায় যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি চলতে পারে।  মূল সড়ক সংলগ্ন ফুটপাতেও পায়ে হেঁটে চলে পথচারীরা।

মিরপুরবাসীদের মধ্যে যারা নিয়মিত গুলশান-বনানী ও উত্তরায় যাতায়াত করেন, তারা সময় বাঁচানোর জন্য কয়েকবার বাহন পরিবর্তন করে হলেও এই রাস্তা দিয়ে যাতাযাত করেন। তাতে কর্মজীবী মানুষের প্রতিদিন কিছুটা সময় বেঁচে যায়।

কিন্তু এই রাস্তাতেও একটি  সমস্যা আছে।  আর সেটা হলো- ‘রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট’। একতলা বিল্ডিঙের এই পুরনো মার্কেটের কোনার অংশটা পড়েছে তিন রাস্তায় মোড়ে।

এছাড়াও এই রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে থাকে ক্যান্টনমেন্ট বাজারে মালামাল আনা-নেওয়ার ট্রাক ও রিকশাভ্যান।

ফলে কচুক্ষত থেকে সেনানিবাসের রাস্তায় ঢুকতে গেলেই দেখা যায় বড় ধরনের যানজট।

অফিসগামী ও ঘরে ফেরা সবাই এর ভুক্তভোগী। এমনকি সেনাসদস্য ও তাদের পারিবারবর্গও এর বাইরে নন।

মেট্রোরেলের মিরপুর অংশের কাজ শুরু হওয়ার পর ওই দিকের পথের ধকল এড়াতে বিকল্প হিসেবে কচুক্ষেত নিয়ে মানুষের চলাচল বহুগুণ বেড়ে গেছে। কিন্তু রাস্তার কোনো পরিবর্তন  না হওয়ায় যানজট সমস্যা বেড়েছে আগের চেয়ে।

সেনানিবাসের পাশের একটা রাস্তা হওয়া সত্ত্বেও এমন ভাঙাচোরা রাস্তা সত্যিই দৃষ্টিকটু।

সেনানিবাসের রাস্তায় রিকশা চলার লেনের মাঝে পড়ে থাকতে দেখা যায় লোহার রড বের হওয়া  বড় বড় সিমেন্টের স্ল্যাব। এ থেকে যে কোনো সময়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এতে রিকশার চাকা আটকে হতাহত হতে পারেন যে কেউ।

রিকশাচালক থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী, শহীদ আনোয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীরা রয়েছে এই ঝুঁকির মধ্যে।

প্রতিদিনের এই দুর্ভোগ ও ঝুঁকিপূর্ণ চিত্র দেখে প্রশাসনের কাছে আমার প্রস্তাবনা,  রজনীগন্ধা মার্কেটের কিছু অংশ ভেঙ্গে ফেলার পাশাপাশি ক্যান্টনেমেন্ট বাজার ও রাস্তা সংস্কার করলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।