ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

নামেই যার পরিচিতি, তাকে নতুন করে আর পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন পড়ে কি? বিচার না পাওয়া লোকদের ন্যায় বিচারের অধিকার আদায়ে অবদান রেখে যিনি সকল শ্রেণির মানুষের দৃষ্টিতে শ্রদ্ধাভাজন হয়ে আছেন তিনি বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের গর্বিত সন্তান পুলিশের সাবেক প্রধান (আইজিপি) নূর মোহাম্মদ।

একাধারে একসময়ের পুলিশ বিভাগের দাপুটে চৌকস শীর্ষ কর্মকর্তা, সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত- কি হননি তিনি এই এক জীবনে!

তিনি কটিয়াদী তথা কিশোরগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান। দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার পর যেখানে বিলাসী জীবন কাটানোর কথা, সেখানে তরুণের মতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মাঠ-ঘাট, পথ-প্রান্তর। বুক মেলাচ্ছেন আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার বুকে।

অন্যদিকে মানুষের চোখেও যেন মেধাবী এই মানুষকে ঘিরে দানা বেধেছে নতুন স্বপ্ন। মানুষের এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি হতে চান কিশোরগঞ্জ-২, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া সংসদীয় আসনের কাণ্ডারি।

অন্য সবার মতো আমিও আলোকিত কটিয়াদী গড়ার স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন দেখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এই মানুষের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে কটিয়াদীর আগামীর উন্নয়ন কাজ।

জনগণের জন্য তার কথা, ‘‘আমার এখান থেকে নেওয়ার কিছু নাই, আমি দিতে এসেছি।” জনগণও তাকে নিয়ে বেশ স্লোগান বানিয়েছে, “দল যার যার, নূর মোহাম্মদ সবার।”

 

 

এক পথসভায় পুলিশের সাবেক এই আইজিপি বলেন, “আমি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আপনাদেরকে নিয়ে সম্পৃক্ত হতে চাই। আপনাদেরকে সেবা প্রদানকারী যে সমস্ত সংস্থাগুলো আছে সবাইকে নিয়েই আমরা কিছু কাজ করতে চাই। আমার যেহেতু দীর্ঘদিনের একটা অবস্থান ছিল সরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে, এখন বাড়ি এসে মনে হলো এলাকার মানুষজনের জন্য কিছু একটা করি। কিছু করা মানে ভালো অবস্থান ছাড়া এদেশে কিছু করা খুব ডিফিকাল্ট।

আমি চিন্তা করেছি রাজনীতির সাথে আমি নিজে সম্পৃক্ত হই এবং ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকা ঘুরেছি। এলাকার বিভিন্ন জনগণের সাথে আমার চিন্তা-ভাবনা, আমার কথা-বার্তা, আলোচনা গত কয়েক মাস যাবত আমি চালিয়ে যাচ্ছি। আমি আপনাদের দোয়া চাই, সমর্থন চাই, সাহায্য চাই।”

 

 

নূর মোহাম্মদ শৈশবে তার গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষে চাতল বাগহাটা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। কটিয়াদী ডিগ্রী কলেজ থেকে মেধা তালিকায় শীর্ষে এইচএসসি এবং পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় আসেন এবং প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ অনার্স ভর্তি হয়ে মেধাবী ছাত্র হিসাবে সুপরিচিতি লাভ করেন।

পরবর্তীতে তিনি বিএ অনার্স পাশ করে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন। তিনি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন।

 


সোশাল মিডিয়ার সুবাদে তার গণসংযোগের খবর এবং তার সম্পর্কে মানুষের অভিব্যক্তি জানার যতটুকু সুযোগ পাচ্ছি, তাতে যে উপলব্ধিটুকু হচ্ছে সেটি হলো- মানুষ একটা পরিবর্তন চায় এটা নিশ্চিত। এখন হয়তো সেই পরিবর্তনের কাণ্ডারি তিনিই হতে পারেন। সেই জন্য তাকে হয়তো দিতে হবে অনেক ত্যাগ ও ধৈর্য্যের প্রমাণ।

তবুও আশান্বিত হচ্ছি এ কারণে- যে সুর বাজছে তা পিছিয়ে যাবার সুর নয়। এই সুর নব উদ্যমে এগিয়ে যাবার উন্মাদনার সুর। একটা নতুন মানুষের অপেক্ষায় দিন গুণছে অসংখ্য মানুষ।