ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

বাংলাদেশে রাজনীতির ও শিক্ষার মান পাশাপাশি থাকলেও রয়েছে নানা ধরণের যুক্তি-তর্ক। সিলেট শিক্ষাবোর্ডে ছেলেদের জয়রথ ছুটছেই। এবারও এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের চেয়ে ভাল করেছে ছেলেরা। গড় পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি উভয় দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। এবার পরীক্ষায় ৩৭ হাজার ৬৭২ জন ছেলে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছে ৩২ হাজার ৩১৮ জন। ছেলেদের পাশের হার ৮৫ দশমিক ৭৯ ভাগ। অপরদিকে ৪৬ হাজার ৭৭৬ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩৯ হাজার ২৬৮ জন। মেয়েদের পাশের হার ৮৩ দশমিক ৯৫ ভাগ। মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২ হাজার ২৬৬ জনের মধ্যে ১ হাজার ২২৫ জন ছেলে ও ১ হাজার ৪১ জন মেয়ে।

এরই মধ্যে একজন রেজওয়া আফরিণ হৃদি। হৃদির বাবা সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। এককালে ছিলেন সিলেট ছাত্রলীগের সভাপতি। নগরীর মিরবক্সটোলার মরহুম আব্বাস আলী ও নূরুজ্জাহান আব্বাসের চতুর্থ পুত্র তিনি। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে সিলেটে যাদের সুনাম রয়েছে, তিনি তাদের একজন।  রেজওয়ানা আফরিণআসাদ উদ্দিন আহমদ ও তাঁর স্ত্রী সুবর্না আহমদের একমাত্র কণ্যাসন্তান রেজওয়া আফরিণ হৃদি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবারের এসএসসিতে মেয়ে হয়েও কম যায়না। সিলেট শিক্ষাবোর্ডে’র ব্লু-বা্র্ড স্কুল হতে জিপিএ-৫ (A+) পেয়েছে। রেজওয়ানা আফরিণের ভালো ফলা-ফলের জন্য পারিবারিক উৎসাহ, মায়ের পরিশ্রম এবং বাবার রাজনৈতিক পরিচয় অক্ষুন্ন রাখায় অধ্যবসায় কাজ করেছে বলে জনায়। সে ভবিষ্যতে জনগণের সেবার জন্য ডাক্তার হতে চায়।

সিলেটে ও সারাদেশে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখা বিদেশে করানোর প্রবনতা রয়েছে। রেজওয়া আফরিণ হৃদি‘র অফুরন্ত সুযোগ রয়েছে পারিবারিক ভাবে বিদেশে পড়াশুনা করার। তবে পারিবারিক শিক্ষা এবং বাবার আদর্শে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য লালন করে রেজওয়া আফরিণ হৃদি দেশের মানুষের সেবার কথাই বার বার বলেছেন।  রেজওয়ানা আফরিণের ভালো ফলা-ফলের জন্য পারিবারিক উৎসাহ, মায়ের পরিশ্রম এবং বাবার রাজনৈতিক পরিচয় অক্ষুন্ন রাখায় অধ্যবসায় কাজ করেছে বলে জনান। রেজওয়ানা আফরিণের সুন্দর ও সেবার মনভাব আরো ছাত্র ছাত্রীদের উৎসাহিত করুক এই কামনা রইল।

বাবা-মা ও ভাইয়ের সাথে রেজওয়ানা আফরিণ

বাবা-মা ও ভাইয়ের সাথে রেজওয়ানা আফরিণ