ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%9c%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bfঅসাম্প্রদায়িক দেশে, সম্প্রদায়িকতার নিরাপত্তা বিধান সরকার শুধু আইনশৃঙ্খলা দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা কী সম্ভব ? সিসি ক্যামেরা, পুলিশ পাহারা, র‌্যাব এর টহল, নিঃশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা, দুই, তিন স্তরের নিরাপত্তা, নিরাপত্তার চাদরে বেশ্টিত ইত্যাদি বর্তমান সংবাদমাধ্যমে বহুল প্রচলিত শব্দ। কিন্তু সব থেকে অবাক হওয়া বিষয় হচ্ছে সিসি ক্যামেরা প্রযুক্তির একটি বিজ্ঞানসম্মত দিক। সেটা সার্বক্ষনিক দেখ-ভাল করা দরকার এবং সন্দেহ জনক কোন কিছু দেখা মাত্র সেখানে জান-মালের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা। সিসি ক্যামেরার গত এক দশকের মধ্যে, বিরাট ভাবে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই অনুপাতে তার সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তির সাথে আমাদের দক্ষ লোকবলের অভাব রয়েছে। আমাদের দেশে অনেক আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ নেই। সিসি ক্যামেরাতে ঘটে যাওয়া কোনো অঘটন হ্য়ার পর, সেটা নিয়ে শুরু হয় পর্যবেক্ষন, ধরা হয় সন্ত্রাসী, আসামী, শুরু হয় বিচার কার্য । কিন্তু এই ঘটনার সময় ঝরে যায় অনেক প্রাণ, সাম্প্রদায়িকতাসহ নানা অপকর্ম।

http://www.dainikamadershomoy.com/todays-paper/firstpage/2970/

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৬,

 

এরকম একটি প্রতিবেদন দেখেছি আমরা অনেকেই।

আমি জানিনা, বাংলাদেশে প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থার অনুমোদন দেয়া হয়েছে বা দেয়া হয় কি না ? যদি প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থার তৈরী করা হয় সরকার কর্তৃক অনুমোদনে, তবে সবার আগে বাছাই করে সাংবাদিক রিক্রোড এর মাধ্যমে তা করা প্রয়োজন। সাংবাদিকই প্রাভেট গোয়েন্দা তৎপরতায় অধিক ফলপ্রসু হবে। যদি কোনো প্রকার দলীয় করণ ছাড়াই করা হয় তবে এরকম দেশের মঙ্গলজনক সংস্থা খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে নিষিদ্ধ হতে যাবে এমন সংগঠনের কার্যক্রম, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদের পরিকল্পনাসহ সকল বিষয়ে সাংবাদিকরা ভালো খবর রাখেন। সংবাদ মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে অনেক তথ্য প্রকাশে এদের কার্যক্রম অনুযায়ী সম্মানি অতি নিম্ন মানের। দেশের অাভ্যন্তরিণ যে কোন কাজের জন্য প্রাইভেট ডিটেকটিভ তৈরীর জন্য একটি নীতিমালা করা যেতে পারে, যার মাধ্যমে সংস্থাটি পরিচালিত হবে।

অবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা দ্বারা বিভাগীয় পর্যায়ে প্রাথমিক ভাবে প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থার সরকার কর্তৃক অনুমোদন দিলে, নীতিমালা নির্ধারণ অনুসারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা হবে, হ্রাস পাবে অাভ্যন্তরিণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। সেটা বিভিন্ন ভাবে তৈরী করা যাবে, যেমনঃ আইটি সেক্টর, শুল্ক, ক্রাইম, ভবন নির্মান, চোরাচালান, সরকারি বিভিন্ন দুর্ণীতিতে সম্পৃক্ত কর্মকর্তার জীবনবৃত্তান্ত, সঠিক বাংলাদেশের নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে। এভাবে একটি একটি করে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, রাজনীতিবিদদের তথ্য সংগ্রহে দেশের ভিষন ফোরটিওয়ানে পৃথিবীর মানচিত্রে শক্তিশালী সয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে স্বিকৃতি পাবে আশাকরি। সেই সাথে আরো হ্রাস পাবে দুর্ণীতি। সুযোগ হবে কর্মসংস্থানের।

অাভ্যন্তরিণ কাঠামোগত ব্যবস্থা উন্নতি হলে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এর পরিধি বাড়ানো সম্ভব হবে। এর জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্রিয় পৃষ্টপোষকতার আন্তরিকতা। আশা করি আমাদের আইন প্রনেতা সাংসদগণ সহমত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্তার ব্যপারে সদয় দৃষ্টি দেবেন ও যথাযত পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।