ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন প্রকল্পে দেশের ইন্টারনেট বন্ধ করা থেকে ইন্টারনেটর প্রয়োগ বিশেষ অবদান রাখবে। শিক্ষামন্ত্রণালয় বার বার প্রশ্ন ফাঁসের জন্যে জনমনে আতঙ্কগ্রস্থ হতে হচ্ছে। “ইন্টারনেট বন্ধের আগেই আইসিটি প্রশ্ন ফাঁস” এবং “গণিত প্রশ্ন ফেইসবুকে এল দেড় ঘণ্টা আগে” শিরোনামে গত ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারিতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়। সরকারি নীতিনির্ধারকরা দেখতে পারছেন প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে বলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে, সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তু তারা উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর চিন্তার বাইরে গিয়ে আরো বেশি তৎপর হচ্ছেন ইন্টারনেট বন্ধ করে সরকারি ব্যবস্থাপনার অপারগতাকে ঢাকা দিতে! এতে সরকার ও প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব হচ্ছে, তবে সরকারের সঠিক ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা প্রকাশ পাচ্ছে । এসব ইন্টারনেটের কারণেই সংবাদ মাধ্যমকে প্রশংসিত করা দরকার নয় কী?

সরকারিভাবে মূল ভূল হচ্ছে কোথায় সেটা বিবেচনায় না নিয়ে ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়াটা অবিবেচনা। বরং ইন্টারনেটই পারে প্রশ্ন প্রত্র ফাঁস রোধ করতে। সে জন্যে চাই ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্যে রূপরেখায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির ব্যবহার। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে একটি শুধু প্রস্তাবনা:

দেশের সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে, যে কোনো পরীক্ষায় যথাসময়ে একযোগে সমস্ত দেশে প্রজেক্টরের মাধ্যমে উন্নত ইন্টারনেট গতির মাধ্যমে প্রশ্ন চালু করা (প্রত্যেক বোর্ডের), ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে প্রজেক্টরের মাধ্যমে শুধু প্রশ্নপত্র দেখে উত্তর দেবে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ের আগে বা পরে আর প্রশ্ন ইন্টারনেটে থাকবে না। এতে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার জন্যে আর কোন চিন্তার কারণ থাকবেনা। শুধু প্রয়োজন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদারকি, তবেই সম্পূর্ণ হবে শিক্ষা খাতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন।