ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

বুড়ো শকুন ভং ধরেছে। পুরোনো প্রেসিক্রপশন দেখিয়ে অসুস্থ সেজে সাধারন হাজতির মত হাজত বাস এড়াতে চাচ্ছে। খেলা কিন্তু শেষ মনে করলে মস্ত বড় ভুল হয়ে যাবে। জাতির জীবনে এখন খুবই কঠিন সময় যাচ্ছে। মনে রাখতে হবে এইবার না হলে আর কিন্তু হবে না। গোলাম আযমরা এই চল্লিশ বছরে শক্তি কিন্তু কম জোগায়নি। সবচেয়ে বড় শক্তি বিএনপি। আমি বিএনপির ভোটার, অনুরাগি, সহানুভূতিশীল সবার কাছে বিনত অনুধোধ করছি, প্লিজ, এই একটা বিষয়ে আপনারা দল মতের উর্ধে উঠে একাত্তরে নরপশুদের বিচারে সোচ্চার হয়ে উঠুন। আমরা তো স্রেফ ভোটার। আপনার বিবেক কি বলে? আবার এরা দম্ভ করে বলুক, একাত্তরে আমাদের ভূমিকার জন্য আমরা লজ্জিত নই! মুক্তিযুদ্ধ ছিল গুহযুদ্ধ! শেখ মুজিব গাদ্দারি করে পাকিস্তান ভেঙ্গে দিয়েছে! আমরা কি চাই জাতির পতাকা আবার খামচে ধরুক পুরোনো শকুন? এতবড় পাপ সইবে না। এই পাপ সবাইকে খাবে! এটা কোন আবেগের কথা নয়। যার যার জায়গায় দাঁড়িয়ে শুধু সমর্থনের হাতটা উঠান। বলুন, রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ চাই। আমরা অতি সাধারন মানুষ। আমাদের করার সুযোগ কম। প্রতিদিনের খেটে খাোয়া মানুষ। শুধু অন্তরের ডাকটা থাক, রাজাকার তুই বাংলা ছাড়! নয় মাসে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল কিন্তু সাত কোটি মানুষের এই অন্তরের আকুতিতে। এদেশের প্রতিটি মানুষের অন্তরে তখন শুধু একটাই মন্ত্র, বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ..।

আজ আমরা মুক্তযোদ্ধের পরবর্তী প্রজন্ম, আমাদের সামনে ডাক এসেছে, রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ। আসুন, সামাজিক ভাবে জামাত শিবিরকে বয়কট করি। জামাতের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রত্যাখান করি। তাদের ব্যাংক, হাসপাতাল, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার বন্ধ করি। প্রত্যাখান সেই সব নেতা-নেত্রিকে যারা দালালদের দালাল। সেই সব নষ্ট মুক্তিযুদ্ধাদের যাদের এখন দালাদের একসঙ্গে সবতে সরম করে না। বয়কট করুন সব নষ্টদের। সব কিছু নষ্টদের হতে দিবো না আমরা। শহীদের রক্তে গড়া যে দেশ সে দেশে ঘাতকদের কোন স্থান নেই। ছিল না থাকবে না। না না না!