ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

আমাদের দেশের বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হলো দূর্নীতির মহামারীর আকার ধারন । ক্যানসার যেমন মানব দেহের প্রতিটি কোষে আস্তে আস্তে বিস্তার লাভ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যু দিকে নিয়ে যায়, তেমনি দূর্নীতি সরকারের প্রতিটি সেক্টরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে বর্তমানে সরকার ব্যবস্থাটিকেই প্রশ্নের সম্মুখিন করে ফেলেছে । বিগত বছর গুলির গণতান্ত্রিকভাবেই নির্বাচিত সরকার গুলির ধারাবাহিক পারফরমেন্স দেখলে মনে হবে যে, দেশকে দূর্নীতিকরন করাই‍ যেন তাদের মূল লক্ষ্য এবং এই কাজে তারা যথেষ্ট সাফল্যতাও দেখিয়েছে ইতিমধ্যে, যেমন- বিগত বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষে যখন তত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন বিএনপির এমপি-মন্ত্রীদের দূর্নীতির চিত্র দেখে গা শিহরিত হয়ে যেত, তারেক-মামুন গংদের ১১০কোটি টাকার দূর্নীতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর দেশে বিদেশে হৈ চৈ পড়ে যায় । অথচ এই সরকারের মেয়াদকালেই অর্থমন্ত্রীর তৃপ্তির ঢেকুর গেলা মন্তব্যে আমরা জানতে পারলাম যে , এই সরকারের আমলে ৪৫০০ কোটি টাকার দূর্নীতিও নাকি মামূলী দূর্নীতি । তাহলে আমরা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে, আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রীর নিকট আরো অনেক বড় বড় দূর্নীতির তথ্য সংরক্ষিত আছে যা আমরা অদূর ভবিষ্যতেই জানতে পারব। সুতরাং আগামীতে যারা পালা বদল করে ক্ষমতায় আসার অপেক্ষায় আছেন, তারা যদি দূর্নীতিকরনের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন, তবে আগামী দিনে হয়ত ৪৫০০০কোটি টাকার দূর্নীতিও মামূলী ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে । কিন্ত তাদের এই সীমাহীন দূর্নীতির দায়ভার কে বহন করবে?‍ যদি দূর্নীতিকরনের এই ধারা অব্যাহত থাকে তবে এই সকল দূর্নীতিবিদেরা এই দেশের অতি সহজ সরল জনগনকে নি:স্ব করে ফেলবে অচিরেই। দূর্নীতিকরনের এই ধারা তৈরীর মূলে রয়েছে‍ যেন তেন লোকের কাছে ক্ষমতার সহজ লভ্যতা এবং প্রাপ্ত ক্ষমতার অপব্যবহারের কোনই জবাবদিহিতা না থাকা। রাস্ট্র পরিচালনা একটা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হওয়া সত্বেও এই পদে আরোহনের জন্য কোন যোগ্যতারই বালাই নেই এই দেশে । শুধুমাত্র দলীয়প্রধানদের মোটাদাগের উপঢৌকন বা যে কোন উপায়েই হোক বিশ্বস্থতা অর্জন করতে পারলেই হলো, তার জন্য সাত ক্ষুন মাফ । তার জন্য আলাদীনের চেরাগ নামক এমপিত্বের বা মন্ত্রীত্বের বরাদ্দপত্র অবধারিত । সরকারের মেয়াদ শেষের আগ পর‍্যন্ত এই সকল এমপি-মন্ত্রীদের দেখভাল করার দায়িত্ব স্বয়ং রাস্ট্রযন্ত্রের, যেন থাকে তারা দুধে-ভাতে । সরকার ব্যবস্থার এই সকল ত্রুটিপূর্ন দিকগুলির দ্রুত সংশোধন হওয়া খুবই জরুরী বলে আমি মনে করি। নচেত সাধারন জনগন থেকে শুরু করে রাজনীতির সুবিধাভুগির সকলকেই এর চরম মূল্য দিতে হবে অচিরেই । কেউই পার পাবে না এই সকল নীতিহীন নীতির খেসারত দেওয়া থেকে । এই নীতিহীন নীতি থেকে বের হওয়ার উদ্দেশ্যে আমি এমনই একটি সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব করছি, যে ব্যবস্থায় থাকবে সরকারকে দূর্নীতি মুক্তকরনের ও জনগনের কাছে জবাবদিহীমূলক সরকার ব্যবস্থার পাশাপাশি নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানের অধীনে একটি স্থায়ী নির্বাচন পদ্ধতি, যাতে থাকবে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা । আমার প্রস্তাবিত এই সরকার ব্যবস্থায় রাস্ট্রপ্রধান হবেন জনগনের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত রাস্ট্রপতি এবং সরকার প্রধান হবেন প্রধান মন্ত্রী, যিনি নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে সংসদীয় রীতি অনুযায়ী ।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি:
প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা:প্রেসিডেন্ট হবেন একজন সুশিক্ষিত, সৎ,সত্যবাদী, ন্যায়পরায়ন,বিচক্ষন,আত্বসম্মানবোধ সম্পন্ন, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম, জনগনের প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাবাপন্ন,দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, নির্লোভ ব্যক্তিত্বের অধিকারী এমন একজন ব্যক্তি । কোন রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রকাশ্য আনুগত্য প্রদর্শনকারী অথবা ওয়ার্ড লেবেল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পদের কোন দলীয় নেতা,কর্মী প্রসিডেন্ট পদের জন্য সরাসরি অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন ।

প্রার্থীবাছাই পদ্ধতি: প্রথমেই প্রসিডেন্ট পদে নির্বাচনে আগ্রহী উপরোক্ত গুনাবলীর অধিকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হবে । তারপর আবেদন পত্রসমূহ থেকে সকল রাজনৈতিক দল থেকে ও সকল শ্রেনীর পেশাজীবিদের পক্ষ থেকে ১জন করে নেওয়া প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় বাছাই কমিটির মাধ্যমে পাঁচজন উপরোক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন প্রসিডেন্ট প্রার্থী‍ যাচাই সাপেক্ষে চূড়ান্ত মনোয়নের জন্য মনোনীত করা হবে । আবেদনকারীদের উপরোক্ত গুনাবলী গুলি আমাদের দেশের স্বনামধন্য জাতীয় পত্রিকাগুলির সম্পাদকবৃন্দের দ্বারা ও জাতীয় গোয়েন্দাসংস্থা সমূহ দ্বারা আলাদা আলাদাভাবে গোপন তদন্ত সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে তিনজন প্রার্থী মনোনীত করা হবে জাতীয় বাছাই কমিটির তিন-চতুর্থাংশের মতামতের ভিত্তিতে । অত:পর নির্বাচনের পূর্বে প্রসিডেন্ট পদে নির্বাচনের জন্য মনোনীত তিনজন প্রার্থী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের কর্মপরিকল্পনা ও তাদের কর্মজীবন এবং সামাজিক জীবনের উপর নির্মিত প্রামান্যচিত্র ইলেকট্রোনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে । তারপর নির্বাচনের মাধ্যমে উপরোক্ত তিনজনের মধ্য থেকে সর্বাধিক ভোট‍ প্রাপ্তজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন এবং‍‍ যিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাবেন, তিনি হবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট । প্রসিডেন্ট চার বৎসরের জন্য নির্বাচিত হবেন কিন্ত দুই বৎসর পর তাকে সরাসরি জনগনের আস্থা ভোটে বিজয় অর্জন করতে হবে ,তাহলেই কেবল পরবর্তী দুই বৎসরও তিনি প্রসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন । কিন্তু আস্থা ভোটে হেরে গেলে তিনি প্রেসিডেন্টের পদ হারাবেন । আস্থা ভোট নেওয়ার ১৫দিন পূর্বে প্রসিডেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্টের নিকট ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনকালীন ছুটি ভোগ করবেন, যাতে নির্বাচনে কোন প্রভাব বিস্তার করতে না পারেন । আস্থা ভোটে জয়লাভ করলেই কেবল তিনি আবার প্রেসিডেন্ট পদে ফিরে আসতে পারবেন, অন্যথায় ভাইস প্রেসিডেন্টই পূর্বের ন্যায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন । নূতন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্টও তার পদ হারাবেন ।

প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ও কর্তব্য :
প্রেসিডেন্টের নিয়ন্ত্রনে থাকবে যথাক্রমে -বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন,দুদক, পিএসসি, সশস্ত্রবাহিনী, র‌্যাব, সোয়াত ও জাতীয় গোয়েন্দাসংস্থাসমূহ । উপরোক্ত বিভাগসমূহ একচ্ছত্রভাবে প্রসিডেন্ট নিয়ন্ত্রন করবেন । প্রেসিডেন্টের উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নেওয়ার কোন প্রয়োজন হবে না । তেমনি প্রধানমন্ত্রীর বেলায়ও কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না । তবে প্রেসিডেন্টের মূল দায়িত্ব হবে সরকারের সর্বস্তরের দূর্নীতি দূর করা এবং সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা । প্রেসিডেন্ট একজন সাধারন নাগরিক থেকে শুরু করে সরকারের সর্বোচ্চ পদে আসীন অর্থ্যাৎ প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত যে কারোর বিরুদ্ধেই দূর্নীতির তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার অধিকারী হবেন । দুদক ও রেপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান যৌথভাবে শুধুমাত্র দূর্নীতি প্রতিরোধেই কাজ করবেন । আর দূদক ও রেব যাতে দুর্নীতিগ্রস্ত হতে না পারে তার জন্য প্রেসিডেন্টের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সোয়াত বাহিনী নিয়োজিত থাকবে । জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট তার অধীনস্থ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। নির্বাচনকালীন তিন মাস মূলত প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার ব্যবস্থা দেশে কার্যকর থাকবে । প্রেসিডেন্ট ইচ্ছা করলে নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য সরকারের কাজে সহযোগিতার জন্য কয়েকজন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম টেকনোক্রেট মন্ত্রী নিয়োগ দিতে পারবেন, যারা নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন । প্রেসিডেন্ট মূলত দূর্নীতি বিরোধী সংগ্রামের সেনাপতির দায়িত্ব পালন করবেন যা আমাদের সকল নাগরিকেরই একান্তভাবে কাম্য ।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ত্ব ও কর্তব্য :
প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রীবর্গ ও সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে এবং স্থানীয় সরকারের সহায়তায় দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ করবেন এবং প্রেসিডেন্টের দায়িত্বের বাইরের অবশিষ্ট সকল দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর উপরই ন্যস্ত থাকবে ।

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন পদ্ধতি:
প্রধানমন্ত্রী বর্তমান প্রচলিত নিয়মেই নির্বাচিত হবেন এবং অবশ্যই রাজনৈতিক দলসমূহ হইতেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হইবেন ।

সংসদ সদস্য নির্বাচন পদ্ধতি:সংসদ সদস্যরা সরাসরি জনগনের ভোটে নির্বাচিত হবেন কিন্ত সংসদ সদস্য হতে হলে তাকে এক টার্ম পূর্ণমেয়াদে জনগনের সরাসরি ভোটে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে হবে অথবা তার নির্বাচনী এলাকার কোন পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র হিসাবে দায়িত্বপালন করতে হবে এবং চেয়ারম্যান বা মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে একটার্ম পূর্ণ মেয়াদে জনগনের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত মেম্বারের বা পৌর কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করতে হবে । সংসদ সদস্যরা মূলত কেন্দীয়সরকার ও স্থানীয় সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসাবে কাজ করবে । যখন সংসদ অধিবেশন থাকবে না, তখন সংসদ সদস্যরা প্রতিটি ইউনিয়নে পালাক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ ও অত্র ইউনিয়নের সব দলমতের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভার মাধ্যমে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যাগুলি পরবর্তী সংসদে তুলে ধরার জন্য চিহ্নিত করে নিবেন এবং অত্র ইউনিয়নের জন্য সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপগুলি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের উপস্থিতিতে জনগনের সামনে উপস্থাপন করবেন এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তবায়নের অগ্রগতি জনগনের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের নিকট থেকে বুঝে নিবেন । সংসদ সদস্যগনকে নির্বাচিত হওয়ার দুই বৎসর পর প্রেসিডেন্টের মতো জনগনের আস্থা ভোটের সম্মুখীন হতে হবে । আস্থা ভোটে জিতলেই কেবল পরবর্তী দুই বৎসর সংসদ সদস্য হিসাবে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে পারবেন । আর হেরে গেলে এই আসনে পুন:নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে । আস্থাভোটে হেরে যাওয়া সংসদ সদস্য এই পুন:নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবে না । পুন:নির্বাচনের পর যদি ক্ষমতাসীন সরকার সংসদে সরকারের সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমানে ব্যর্থ হয়, তবে সরকার তার ক্ষমতা হারাবে এবং তখন যদি বিরোধীদল সংসদে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান করতে পারে, তবে তারাই পরবর্তী অবশিষ্ট সময়ের জন্য সরকার গঠন করবে ।

আস্থাভোট নির্বাচন পদ্ধতি:
দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি মোবাইল ফোন চালু আছে, আর আমাদের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৭ কোটির কাছাকাছি । সুতরাং মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে আমরা যার যার অবস্থানে থেকেই খুব সহজে এবং অল্প খরচে আস্থাভোট নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব । সেই সাথে পারব জনগনের কাছে সরাসরি জবাবদিহীমূলক ও দূর্নীতিমুক্ত সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন পূরনের ।