ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

 

0f4e324303400b23a739b37878b789ca-Bhairab-sholika-12
[ছবিঃ গুগল থেকে]

মুসলমানদের দুটি পবিত্র ঈদ হল সকল উৎসবের মধ্যে প্রধান। পবিত্র ঈদে মুসলমানগণ একে অপরের সান্নিধ্য আশা করে থাকে। আর সেটি ঝামেলামুক্ত সময় সাপেক্ষ হলে মানসিক তৃপ্তি লাভ করা যায়। আবার পূর্ণ উদ্যমে নিজ নিজ পেশায় কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়। বাংলাদেশ একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এখানে মোট জনসংখ্যার ৯০% মুসলমান। শহরায়ন ও শিল্পায়ন দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে। চাকুরীজীবীর সংখ্যাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই ঈদের সময় প্রত্যেকেই তার আত্মীয়-স্বজনের সান্নিধ্য লাভ করতে চায়। আর এটাই স্বাভাবিক। মাটির টানে সবাই মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন ও ছেলে-মেয়ের সাথে কিছুদিন সময় কাটাতে চায়। আত্মীয়-স্বজনের সাথে ঈদ উদযাপন করলে ঈদের আনন্দের পরিপূর্ণতা পাওয়া যায়। ঘনবসতিপূর্ণ ব্যস্ততম শহরের পরিবেশ থেকে সবাই নির্জন নির্মল গ্রামে কিছুটা সময় কাটাতে চায়। শহরবাসী মানুষ যখন ঈদের ছুটিতে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঈদ উদযাপন করতে যায়। তাদের একদিন সময় ব্যয় হয় শুধু গ্রামে যেতে। আর একদিন ব্যয় হয় আসতে। একদিন ঈদ উদযাপন করে। এটা আমাদের বাংলাদেশের যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত কম সময়। অর্থাৎ যাওয়া-আসার মধ্যেই ঈদের ছুটি চলে যায়। এই যাওয়া-আসার দুর্গম পরিস্থিতিতে ঈদের আনন্দ কোথায় যায় তা বর্ণনা করা কঠিন। অনেকেই আবার ঈদ করতে বাড়িতে যাওয়ার পথে জ্যামে পরে ঈদের দিনও বাড়িতে পৌঁছাতে পারেনি। এ ধরণের ঘটনাও অনেক ঘটে। ঈদে যাতায়াতের বিড়ম্বনা নিয়ে বর্ণনা করলে আমার আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
5204f63dc0059-Untitled-5
[ছবিঃ গুগল থেকে]

আমার আজকের লেখার উদ্দেশ্য হলঃ ঈদের ছুটি, তাই অন্য প্রসঙ্গ বেশি টানতে চাইনা। ঈদ শেষে যখন আমরা অফিসে যাই। অর্থাৎ ঈদ পুনর্মিলনিতে কোন কলিগকে যদি বলি যে, “ঈদ কেমন কাটল?” তখন একটা গল্পই বেরিয়ে আসে সেটা হল যাওয়া-আসার বিড়ম্বনার গল্প। আর একটা হতাশার কথা সবাই আলোচনা করে সেটা হলঃ “ ঈদের ছুটি সাতদিন হওয়া উচিত। তবে একথা জলন্ত সত্য যে, সবাই ঈদের ছুটি কমপক্ষে সাতদিন হওয়া উচিত বলে মনে করে।

এতক্ষণ আমি যে কথাগুলো বলেছি সেগুলো সার্থক হবে তখনই। যখন এদেশের সরকার ঈদের ছুটি সাতদিন নির্ধারণ করবেন। আমরা আশা করব সরকার উক্ত বিষয়টি আমলে এনে ঈদের ছুটি ৭ দিন ঘোষণা করবেন। তাহলে দেশের মুসলিম জনগণ ঈদের খুশিতেই ঈদ উদযাপন করতে পারবে।