ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

আমি সপরিবারে বাসা থেকে বের হয়ে গুলিস্তান আসি। ১৬তম বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে আড়ং, রাপাপ্লাজা ও নিউ মার্কেটে শপিং করার উদ্দেশ্যে সি,এন,জি অটো রিক্সায় উঠার জন্য গুলিস্তান মোড়ে অপেক্ষা করছি। ১৫ মিটিটে মনে হয় ১৫টির চেয়েও বেশি সি,এন,জি অটো রিক্সাকে রিকয়েস্ট করলাম ধানমন্ডি ২৭ নম্বর যাওয়ার জন্য। কেউ চায় ২০০ টাকা, কেউ চায় ২৫০টাকা। কেউই মিটারে যাবে না। কেউ বলেছে মিটারে যাবো, তবে ৫০ টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে। একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, “মিটারে যাবেনা কেন?” সে বলল, “এত ছোট কেপ দিয়ে পোষায় না স্যার।”

2016_02_18_08_29_15_CiahquhNN7uHbbOQrNGfC70dHnbt4S_original

তবে অনেকেই বলেছে যাবোনা। এক পর্যায়ে একটু তর্ক-বিতর্ক দেখে একজন পুলিশ সার্জেন্ট ‘আনন্দ’ এগিয়ে আসল। এসে বলল, “কী হয়েছে ভাই?” আমি বললাম, “মিটারে যেতে চায় না কেন দেখেনতো?” সাজেন্ট বলল, “আপনি একটু অপেক্ষা করুন, মামলাটা লিখে নেই।” তার কথায় আরও ৫ মিনিট অপেক্ষা করলাম। সার্জেন্ট আমার ফোন নাম্বার নিল এবং সে মামলার কাজ শেষ করল। সার্জেন্ট আমাকে আগেই বলে রেখেছিল যে, “এই ড্রাইভারই আপনাকে নিয়ে যাবে।”

এদিকে এতক্ষণ দাড়িয়ে থেকে আমার স্ত্রী-কন্যারা বিরক্ত বোধ করল। সার্জেন্ট মামলা করার পর ড্রাইভারকে বলে গেল উনাদেরকে নিয়ে যাও বলে চলে গেল। ড্রাইভার আমাকে বলল, “সার্জেন্টের কাছ থেকে কাগজ নিতে হবে, আমার যেতে দেরি হবে।” এতক্ষণে বুঝতে পারলাম, যোগাযোগ এখন পুলিশ এবং ড্রাইভারদের হাতে। জনগণ অসহায়! অর্ধ ঘন্টা সময় নষ্ট করার পর বাসে উঠলাম, আমি এবং আমার বড় মেয়ে দাঁড়িয়ে । ছোট মেয়ে ও তার মাকে দুজন ছেলে দাঁড়িয়ে ছিট দিল।