ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

সানারপাড় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ নিয়ে শুধু যে আমিই লিখি তা নয় অনেকেই লিখেন। কিন্তু এ সমস্যার সমাধান যে কেন হয় না সেটা কেউ বুঝতে পারছে না। আমি আজ ত্যাক্ত-বিরক্ত হয়ে সানারপাড় এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা দ্বিতীয়বার লিখতে বসেছি। আরও অনেকেই হয়তো লিখছে কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না।

এ প্রতিবেদনটি লেখার প্রায় এক বছর আগে ২৮শে মে ২০১৬ ইং তারিখ বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে একই সমস্যা নিয়ে আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। আর সেই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, সানারপার এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে

আজ আমি সানারপাড়ের রাস্তার বিস্তারিত বর্ণনা দিব না কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে একই সমস্যার বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছি। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এখন যদি কর্তৃপক্ষ দয়া করে সানারপাড়ের রাস্তা করে না দেয় তাহলে আর কিছু করার নেই। রাস্তার পাশের ড্রেনের কাজ কিছুটা হলেও তা এখন বন্ধ আছে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব মোঃ শামীম ওসমান এলাকায় আসলে রাস্তাটি মেরামত করার জন্য দাবী উত্তাপন করলে তিনি ষ্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, ’নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা করার দায়িত্ব মেয়রের, আমার নয়’।

আমরা মনে করি কথাটি একেবারেই সত্য কিন্তু এটাও আমরা জানি মেয়র বলবেন, নতুন সিটি কর্পোরেশন, আমার কাছে ফান্ড একেবারে কম, তাই রাস্তাটি করতে একটু দেরি হচ্ছে।
সরকারের কাছে বা উর্ধবতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের অর্থাৎ জনগণের কথা হল, আমরা কী করবো? আর কী করতে পারি? এর উত্তর না পেলেও আমরা যা করি তা হল এমনঃ

১। বাড়ি থেকে সকালে বের হয়ে বিশ্বরোড যাওয়ার জন্য প্রথমে জুতা খুলে হাতে নেই এবং প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে পানি ও কাঁদার মধ্যে দিয়ে হাঁটা শুরু করি মৌচাক, সানারপাড় অথবা শিমরাইল মোড়ের দিকে।

২। যারা একটু বয়স্ক তাঁরা যদি রিক্সায় উঠে তালে কমর ভাঙবে নিশ্চিত তাই তাঁরা ভয়ে কষ্ট করে পায়ে হেঁটে যাওয়া-আসা করে নিজ নিজ গন্তব্যে।

৩। অত্র এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের কয়েক বছর থেকেই আদেশ দেয়া আছে যে, “বৃষ্টি হলেই তোমরা জুতা-মোজা ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবে। এজন্য তারা বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত ৬/৭ মাস জুতা-মোজা ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসে।

আরো অনেক হৃদয় বিদারক ঘটনা আছে, তার বর্ণনা আর দিতে চাইনা। আমরা চাই- রাস্তা—-রাস্তা—এবং রাস্তা।