ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 

বিগত প্রায় এক মাস পূর্বে সপরিবারে আমি ঢাকা-কমলাপুর স্টেশন থেকে বাড়ি (সনুড়া, কলমাকান্দা, নেত্রকোণা) যাওয়ার উদ্দেশ্যে হাওড় এক্সপ্রেসে চড়ি। ট্রেন ছাড়ে রাত ১২টা ৫ মিনিটে। ট্রেনে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ঠাকুরাকোণা স্টেশনে পৌঁছে যাই সকাল ৫টা ৩০ মিনিটে। তখন গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল। স্টেশনে নেমেই সিএনজি অটোরিক্সায় চড়ে পাগলা বাজারে চলে যাই আধা ঘন্টার মধ্যে। রিক্সা থাকলেও আমার দুই মেয়ে ও তাদের মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী দুই কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে চললাম বাড়ির দিকে। আর আমার গ্রামের বাড়িতে হেঁটে যাওয়ার পথে ছবিগুলো তোলা। আমার বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে অবারিত কাঁচা ধানের মাঠ দেখে মনে হয়েছিল আমার গ্রামে আসা আজ স্বার্থক। কৈশোরের স্মৃতি বিজরিত জীবনের কথা চোখের সামনে ভেসে ওঠে।

 

DSCN4189
রাস্তার পাশেই হুগলী (কলমাকান্দা, নেত্রকোণা) গ্রামের সামনে অর্থাৎ আমার গ্রামের পাশেই ফসলের মাঠ। এমন একটি মনোরম দৃশ্য যে কোন ব্যক্তির মন কেড়ে নেয়। ছবি: সৈয়দ আনোয়ারুল হক।

 

DSCN4185
সকালের সোনালী রোদ ধানের মাঠকে আরো মনোরম করেছে। নয়াপাড়া ও কনুড়া (কলমাকান্দা, নেত্রকোণা) গ্রামের মাঝে ধানের ক্ষেত। দৃশ্যটি দেখা মাত্র মনে প্রশান্তি চলে আশে। ছবিঃ নাদিয়া।

 

DSCN4182
আমার গ্রামের সামনে ধান ক্ষেতে কৃষক পানি সেচের কাজ করছে। এটিও কাঁচা রাস্তার পাশেই। ছবিঃ নাবিলা

 

DSCN4163
আমার গ্রামের রাস্তার পাশে বসন্তের প্রাকৃতিক দৃশ্য। শিমুল গাছে লাল টুকটুকে ফুল ফুটে আছে। এমন আকর্ষণীয় দৃশ্য সহজে পাওয়া ভার। ছবিঃ সৈয়দ আনোয়ারুল হক।

 

DSCN4180
আমার গ্রামের (সনুড়া, কলমাকান্দা, নেত্রকোণা) দক্ষিণে ফসলের মাঠের ভিতর দিয়ে কাঁচা রাস্তা চলে গেছে ভারতের মেঘালয় পর্যন্ত। সামান্য একটু এগোলেই নদীর উপর পাকা ব্রীজ পার হয়েই আমার বাড়ি। ছবিঃ সৈয়দ আনোয়ারুল হক।