ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক, ফিচার পোস্ট, ফিচার পোস্ট আর্কাইভ

গিয়েছিলাম নারায়ণগঞ্জ কর অফিসে। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার রেজিস্ট্রেশন করার জন্য।

ভেবেছিলাম উদ্বোধনের তিন বছর পর অনলাইনেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবো।  আমি এ পর্যন্ত যে সকল কাজ অনলাইনে করেছি কোথাও থেমে যাইনি। তবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে হোঁচট খেতেই হলো।

আমি নারায়ণগঞ্জ-১৩ কর অঞ্চলের করদাতা। ২০১৬ সালে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলে যাই অনলাইন অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন ফরম নিয়ে।

কিন্তু  তারা বললো, এখানে এখনো অনলাইন সিস্টেম চালু হয়নি।

এ বছর আবার গেলাম অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কিন্তু তারা একই কথা জানালো। বাধ্য হই আবার  ‘ম্যানুয়ালি’ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে।

২০১৬ সালে অর্থমন্ত্রী অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমাদানের উদ্বোধন করেন এবং নিজে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেন। কিন্তু তা এখনও ঢাকার দুয়েকটি অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ। মূলত সারা দেশে ম্যানুয়ালি আয়কর রিটার্ন জমা নেয়া হচ্ছে।

চার হাজার টাকার আয়কর রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে গুণতে হচ্ছে  হাজার টাকা আর ঝক্কি। আয়কর অফিসারগণ করদাতাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

প্রত্যেক করদাতা যেন অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত। দেশের চালিকা শক্তিই হল জনগণের কর। আর সেই কর যদি অনলাইনে দেওয়া না যায় তাহলে কিসের ডিজিটাল বাংলাদেশ?

করদাতাগণ অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ পেলে শতভাগ কর আদায় হবে বলে মনে করি। প্রত্যাশা একটাই, আগামী অর্থ বছরের আয়কর রিটার্ন যেন অনলাইনে জমা দিতে পারি।