ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

কিছুদিন আগেই ঘটে গেলো তিউনিশিয়ায়, মিশরে কি এক বিড়াট অঘটন, শুরুতে শাসক গোস্ঠিরা ভাবেনি তাদের পরিনিতি কি হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দে মা কেনদে বাঁচি অবস্থা। লিবিয়ার অবস্থা তো সবার ই জানা, আর ভবিষ্যতে সেটা যে কি হবে তা আর অনুমানের প্রয়োজন নেই, বাস্তব আতি নিকটে। গাদ্দাফি এখন অন্ধ, তার ও হয়তো চোখ খুলবে কিন্তু তখন আর লাভ হবেনা। পৃথিবীর সব শাসক গোস্ঠিরাই মনে হয় অন্ধ হয়।

আমরা যারা বিদেশে থাকি, তাদের জন্য বাংলাদেশ নিয়ে গর্ব করার মত আমাদের দু একটা গর্ব ছাড়া খুব বেশি কিছু নেই।সেই দু একটা গর্বের মধ্যে ড: ইউনূস বিষয়টা অন্যতম।তিনি আমাদের জাতির জন্য গৌরব। কিন্তু তিনিও রেহাই পেলেন না আমাদের রাজনীতির অসভ্য গ্রাস থেকে।

বর্তমানে আমাদের দেশে এমন বড় কোন ইস্যু নেই যাতে দেশ তিউনিশিয়া, মিশর বা লিবিয়ার মত পরিস্থিতিতে যেতে পারে। এবার সরকার নিজেদের পায়ে নিজেরা কুড়াল মারার একটা রিহার্সেল শুরু করলো। কে জানে এই কুড়ালের ধার কতটুকু এবং কোথায় গিয়ে দাড়ায়। বাংগালিরা বরাবরই খুবই সেনসিটিভ মাইন্ডের। যেখানে বাংগলাদেশের জনগনের মুস্টিমেয় একটা অংশ গ্রামীন পরিবারের সংগে যুক্ত, সেখানে বড় ধরনের একটা খোভ অস্বাভাবিক খিছু নয়। আর এই বড় ধরনের খোভটাকে যদি বিএনপি আরো একটু গতি এনে দেয় (সাধারনত বাংলাদেশের বিরধী দল যে সুযোগ টা নেয়) তাহলে বাংলাদেশ মিশর বা লিবিয়া হতে খুব একটা দেরি লাগবেনা।ফেইসবুকে ড: ইউনূসকে নিয়ে একটি গ্রুপ করার চেস্টা করেছিলাম প্রতিবাদ করার জন্য, কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ইংরেজি বর্ণ দিয়ে ড: ইউনুস এর নাম দিয়ে কোন গ্রুপ করা গেলোনা, এটা নাকি প্রটেকটেড। আবার ও মনে হলো মিশরের কথা, সেখানে নাকি ফেইসবুক বা ইনটারনেট বন্ধ করে দেওয়াটা ছিলো মুবারকের জন্য সবচেয়ে বড় কাল। আর তাইতো বললাম, ড: ইউনূসকে বিদায় করা মানে আওামী সরকারের নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারা ।

আমাদের তো আর স্যার কে দেয়ার কিছু নেই, তাই এই কলন্ক অধ্যায়টাকে ঘৃণা করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে ইউনূস স্যারের অবদান কিছুটা হলেও ফেরৎ দেয়ার চেস্টা করলাম।

ফেইসবুকে বাংলায় একটা প্রতিবাদ পেইজ খোলা হয়েছে, আপানারা যদি প্রতিবাদ জানাতে চান তাহলে সেখানে গিয়ে LIKE দিতে পারেন। পেইজটি খোঁজতে হলে ফেইসবুকের সার্স এ গিয়ে “ড: ইউনূসের অপসারনে, আমরা গভীর ভাবে ঘৃনা জানাই” কথাটা লিখে সার্স দিলে আসতে পারে। তারপর সেখানে গিয়ে এই পেইজটাকে শেয়ারও করতে পারেন।

বি: দ্র:ব্য: এই প্রতিবাদ সরকার পতনের জন্য নয়, এটা শুধুই ঘৃণা জানানো, অন্ধ আর ঘৃন্য রাজনীতির প্রতি।