ওয়াইন টানেলের টানে

/

মাউন্টেইনের তলে পরিত্যাক্ত দীর্ঘ রেলওয়ে টানেলের গভীরে ঢুকে উষ্ণতা ফিরে পাই। কোরিয়ায় বসন্ত এসে গেছে, শুভ্র চেরির স্নিগ্ধতা চারদিকে। দক্ষিণের দিকে এর প্রকাশ আরো মাদকতাময়। সিউল থেকে চার ঘন্টার পথ পেরিয়ে ছিয়ংদো এসেছি এই মাদকতায় ভাসবো বলে। কিন্তু বসন্তের হিম বাতাস আর ঝড়ো বৃষ্টি সব মাটি করে দেয়। ছিয়ংদোর চারদিকে মাউন্টেইনের ভাঁজে ভাঁজে মেঘ খেলা… Read more »

হ্যানক গাঁয়ের রঙ

/

মধ্য নভেম্বরেই কোরিয়ায় হাড়কাঁপানো শীত। তাপমাত্রা শূন্যের ওপারে। ওয়নজু  এক্সপ্রেস টার্মিনাল থেকে ঠিক ন’টায় বাস স্টার্ট করে। শহর পেরিয়ে আমাদের ইয়োনসেই  ইউনিভার্সিটির সামনে দিয়ে ছুটে চলে এক্সপ্রেসওয়ের দিকে। গাড়িগুলো যেন উড়ে উড়ে ছুটে চলেছে। ওয়নজু থেকে জিয়নজু তিন ঘণ্টার পথ। হ্যানক ভিলেজ  দেখবো। অনেক গল্প শুনেছি এর। এক ধরনের থ্রিল অনুভব করতে থাকি ভেতরে ভেতরে।… Read more »

সিউলে শতদল

/

জিয়নডং থিয়েটারের হলরুম থেকে বেরিয়ে প্রশস্ত করিডোরের এক পাশে আশ্রয় নিই। সিউলে সন্ধ্যা ঘনিয়েছে আগেই। গত দেড় ঘণ্টা কোন ফাঁকে পেরিয়ে গেছে বুঝিনি। মাথার মধ্যে কোরিয়ান ট্র্যাডিশনাল ড্রামের প্রচণ্ড বিট, লোকসংগীতের মুর্ছনা আর সোর্ড-ড্যান্সের ঝলকানি। ঠিক হতে সময় লাগবে বুঝতে পারছি। ওপাশে পারফর্মাররা ক্ষুদে দর্শকদের সাথে ফটোসেশনে ব্যস্ত। আমি নাট্যপালার নির্দেশককে খুঁজতে থাকি। ভদ্রলোক নিজে… Read more »

কোরিয়ান আজুম্মা কাহিনী

/

আমার কোরিয়াতে আসার বয়স ১ বছর। এই এক বছর এত দ্রুত চলে গিয়েছে ভাবতেই অবাক লাগছে। কোরিয়াতে আসার আগে এখানকার পরিশ্রমী মানুষগুলো সম্পর্কে হালকা ধারণা পেয়েছিলাম আমার ডিপার্টমেন্টের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহোদয়দের কাছে। উনারা পরামর্শ দিয়েছিলেন পরিশ্রম করার ব্যাপারে। এখানে আসার পরে দেখতে পেলাম যে সত্যিকারের পরিশ্রম কাকে বলে। ছবি: বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও দমে যাননি… Read more »

মহাকাশ থেকে গণতন্ত্র দেখতে পেতে; বন্ধু

/

বন্ধু বলিল, আচ্ছা! বাংলাদেশে বসে; ভিনদেশী প্রধানমন্ত্রীর সাথে মিটিঙে “No Democracy in Bangladesh” বলতে পারাটা কি ‘গণতন্ত্র’ না? বললাম, না! কিছুটা পার্থক্য আছে! সে বলিল, সেটা কেমন? বললাম, দ্যাখো, এদেশে তুমি যখন আবহানীর সাপোর্ট করবে; তখন আবহানী’র জয় মানেই গণতন্ত্র! আবার আমি যখন মোহামেডানের সাপোর্ট করবো; তখন আমার আছে- মোহামেডানের জয় মানেই গণতন্ত্র! আবার ধরো-… Read more »