কাজের আশায় ভারত গমন, নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরা! পর্ব-১৩

/

পূর্বের লেখা (পর্ব-১২) পর্ব-১৩: দিদির বাড়িতে ভাড়া থাকা ব্যাচেলর ছেলে দুজনের রুমে গেলাম। ওরা কেউ ঘরে নেই। দুপুরের খাবার খেয়ে আবার ওদের কাজে চলে গেছে। বড়দি আমার সামনে এসে বলল, মনে হয় অনেক টাকা সাথে করে এনেছিস? দিদির কথা শুনে আমি বললাম, কেন? দিদি বললেন, যেখানে তিন টাকা খরচের ভয়ে কেউ রিকশায় চড়ে না, সেখানে… Read more »

কাজের আশায় ভারত গমন, নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরা! পর্ব-১২

/

পূর্বের লেখা (পর্ব-১১) পর্ব-১২: পরদিন সকাল বেলা বড়দি আমাকে ঘুম থেকে জাগালো। বেলা তখন সকাল দশটার মতো বাজে। ভাড়াটিয়া ছেলে দুটোও নেই। ওরা সকাল আটটার সাথে সাথেই ওদের কাজে চলে যায়। ওরা সেখানে একটা পাওয়ার স্টেশনে কাজ করে। দিদি আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “ওখানেও কি তুই এতো দেরি করে ঘুম থেকে উঠিস?” বললাম, “না। অনেক রাতে… Read more »

কাজের আশায় ভারত গমন, নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরা! পর্ব-১১

/

পূর্বের লেখা (পর্ব- ১০)   পর্ব-১১: রবীন্দ্র নগর কলোনি পাহাড়ি এলাকা হলেও এখানে কেউ রাত ১০টার আগে ঘুমায় না। অনেক সময় রাস্তের পাশের দোকানগুলো রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বেশিরভাগ মানুষের ঘরেই টেলিভিশন আছে। তবে আমি যখন সেখানে গিয়েছিলাম, তখন সেখানে রঙিন টেলিভিশন খুবই কম দেখেছি। সাদাকালো টেলিভিশনই বেশি ছিল। ওখানকার মানুষেরা সিনেমা, নাটক, থিয়েটার,… Read more »

কাজের আশায় ভারত গমন, নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরা! পর্ব-১০

/

পর্ব-৯-এর শেষাংশ: ক’দিন পর যখন সব জানাশুনা হয়ে যাবে, তখন হয়ত আর দিবে না। বুঝেশুঝেই দিবে। আমি বড়দিদির কথা শুনে মুচকি হেসে দিদির বাড়ির ভেতরে গেলাম। পর্ব-১০ আরম্ভ: আমার পেছনে রবীন্দ্র নগর কলোনির অনেক মানুষ। সবাই বলাবলি করছে, ‘এতো বছর পর দিদির কথা মনে পড়লো?’ কেউ আবার তাদের বাংলাদেশে থাকা বাড়িঘরের কথাও জিজ্ঞেস করছে। কারোর… Read more »

কাজের আশায় ভারত গমন, নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরা! পর্ব-৯

/

রিকশাওয়ালা আমাকে বলছে, ‘ওই যে রবীন্দ্র নগর কলোনি দেখা যাচ্ছে।’ রিকশা চড়ে যাচ্ছি, রবীন্দ্র নগর কলোনির দিকে। রাস্তার দু’পাশে বড়বড় নানারকম পুরানো গাছ। ইটপাটকেলের তৈরি দালানঘর খুব কম। যা দেখা যায়, প্রায় সবই বাঁশ ও কাঠের তৈরি টিনের ঘর। মাঝেমাঝে ভুটানিদের কাঠের টংঘর। টংঘরের নিচে শুকর, ভেড়া, মুরগির খামার। উপরে ভুটানিদের বসবাস। ঘরগুলো দেখতে খুবই… Read more »

কাজের আশায় ভারত গমন, নিঃস্ব হয়ে দেশে ফেরা! পর্ব-৮

/

তখন সন্ধ্যা ঘোর হয়ে রাতের পালা।কানাই বলল, ‘চল ঘুরে আসি।’আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় যাবি?কানাই বলল, ‘ধর্মতলা যাবো জলপাইগুড়ির একটা টিকেটের জন্য।’বুঝলাম আগামীকালই আমি বাঘা যতীন ত্যাগ করছি। আমি তাড়াতাড়ি করে জামাকাপড় পড়ে নিলাম, কানাইতো আগেই রেডি। একটা ওটো চেপে গেলাম, ধর্মতলা উত্তরবঙ্গ বাসস্ট্যান্ডে। কিন্তু টিকেট আর কেনা হলো না। কারণ, তখন রাত হয়েছে বলে টিকেট… Read more »