শওকত ওসমানের ‘জননী’ রক্তমাংসে গড়া এক প্রকৃত জননী

/

পড়ে শেষ করলাম শওকত ওসমানের ‘জননী’ উপন্যাসটি। সম্ভবত এটা তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এটা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৫৮ সালে। ইতোপূর্বে এটি পড়েছিলাম কি না মনে নেই। পড়ে থাকলেও হয়তো তখন পাঠক হিসেবে ছিলাম অপরিণত। তাই মনে নেই। কিন্তু আজ জীবনের ৪৭ বছর বয়সে এসে পড়ে বুঝলাম, এটা একটা কালজয়ী উপন্যাসই বটে। উপন্যাসের মূল চরিত্র দরিয়াবিবি। তবে… Read more »

পাশবিকাতায় ছেঁড়া জরায়ুর রক্তে ভেজা আমার স্বাধীনতা

/

“ওই মিয়া! রক্ত দেখলে ডর লাগে? কার রক্ত আবার, জবাই করা মানুষের রক্তের কথা কই। কয় ভাই-বোন আপনারা? বিয়া করছেন? ছেলেমেয়ে? মা আছে তো? আচ্ছা ধরেন, আপনার ওই বোনটা, বউটা, মেয়েটা কিংবা মা’টারে কেউ সন্ধ্যাবেলায় মুখ চাপা দিয়া, হাত দুইটারে পিছমোড়া করে বাঁইধা কোনো ঝোপের মধ্যে নিয়া ছিঁড়া খাইলো। মাথাটারে থেঁতলাইয়া দিলো ইঁট দিয়া। তারপর… Read more »

এক রক্ত পৃথক দেশ ভারত বাংলাদেশ

/

ওর নাম অজিতানন্দ দাস শিব । জন্মসূত্রে ও ভারতের নাগরিক । আমার নাম মনোনেশ দাস । জন্মসূত্রে আমি বাংলাদেশের নাগরিক । জন্মসূত্রে আমরা দুই দেশের নাগরিক হলেও আমাদের ধমনীতে বয়ে চলা রক্ত একটাই । ওর আর আমার পিতামহ একজনই । তিনি স্বর্গীয় রমেশ দাস । আমার বাবা স্বর্গীয় ভবেশ দাস এবং অজিতানন্দের বাবা স্বর্গীয় অমরেশ… Read more »

লাল শিকড়

/

১ অইতো শাওন, কোপা শালারে! শ্লেষ্মা আর হিংস্রতা মেশানো গলায় নোমান উৎসাহ দেয় মনিকে, চাপাতিটাও ছুড়ে দেয় ওর হাতে। মনি আর শাওন স্কুল বন্ধু, আর সবাই ভেঙে পড়া কাঁচের টুকরোর মত ছিন্ন বিচ্ছিন্ন ভাবে এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও ওরা দু’জন কীভাবে যেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, কিন্তু বিভাগ ভিন্ন। ভর্তির পর হলে উঠার সময়টা… Read more »

মেকাপ বক্স দিয়ে আমরা কী করমু?

/

পেটে ভাত নাই, পাছায় ত্যানা নাই; ম্মাগো ম্মা আমরা মেকাপবক্স দিয়া কি করুম? ইউনুসের নোবেল দিয়া আমাদের কি কাম? বিদেশীগো কাছে ভাবের মূর্তি বানাইয়া বেচমু? এসব আকামের কতা আর কইয়েন্নাতো। ভালা লাগে না। ইউনুস সাহেব পুরা বাংলাদেশরে যাদুঘর বানায়া ছাড়বেন। তারে এখানেই থামান। রাষ্ট্রের চেয়ে গুটিকয়েক ব্যক্তি ম্যালা ক্ষ্যামতাধারী হইয়া যাইতাচ্ছে। তাগোরে থামান। নোবেলের মতো… Read more »