লিবিয়ার পথে পথেঃ (৬)

/

গারিয়ান টিচিং হাসপাতালের ডেপুটি ডিরেক্টর ডাঃ নুরুদ্দিন একজন বয়স্ক এবং মোটাসোটা মানুষ। প্রথম দেখাতেই তাঁকে আমার ভালো লেগে যায়। অনেকখানি বন্ধুবৎসল মনে হয়। এই বিদেশ – বিভুয়ে এসে, যেখানে কোনো বাংলাদেশী ডাক্তার আর সিস্টার নেই, একজন বন্ধুবৎসল মানুষ পাওয়াটাই তখন খুব ভাগ্যের ব্যাপার। ডাঃ নুরুদ্দিন চমৎকার ইংরেজী বলতে পারেন। তিনি নিজেই নিজের পরিচয় দিলেন, ‘শিশু… Read more »

লিবিয়ার পথে পথেঃ (৫)

/

ত্রিপোলী এয়ারপোর্টে এক বাংলাদেশি ডাক্তারের সাথে পরিচয় হলো। উনি ত্রিপোলিতেই থাকেন। খবর পেয়েছিলেন এক দল দেশী ডাক্তার এবং সিস্টার আসবে, তাই সময় করে এয়ারপোর্টে এসেছেন। শুনে খুব ভালো লাগলো। উনার কাছ থেকেই জানলাম গারিয়ান শহর সম্পর্কে। আবহাওয়াগতভাবে লিবিয়ার সবচেয়ে আরামপ্রদ অঞ্চল। পাহাড়ের উপরে শহরটি। যে হাসপাতালে আমাকে দেওয়া হয়েছে সেখানে দুই বছর আগে উনি ছিলেন,… Read more »

লিবিয়ার পথে পথে (৩)

/

ত্রিপোলি যাবার জন্য ফ্লাইট ঠিক করে দিয়েছিলো লিবিয়ান সরকারের বাংলাদেশী এজেন্ট। তারা প্রথম ফ্লাইটের জন্য আফ্রিকিয়া এয়ারলাইন্সের টিকেট কেটেছিলো। প্রথম ব্যাচে আমরা প্রায় তিরিশ জনের মতো ডাক্তার এবং সত্তর জনের মতো নার্স একসাথে গিয়েছিলাম। আমাদের ফ্লাইট ছিলো রাতের বেলা। আফ্রিকিয়া এয়ারলাইন্সে ল্যাগেজ বহন করার ক্ষেত্রে আমরা এক সুবিধা পেয়েছিলাম, আর সেটা হলো প্রতিজনে প্রায় ষাট… Read more »

লিবিয়ার পথে পথেঃ ২

/

আমার জন্য লিবিয়ায় যাওয়াটাই ছিলো এক অদ্ভুত ব্যাপার। একদিন পত্রিকায় লিবিয়ান স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে ডাক্তার নেবার বিজ্ঞপ্তি দেখে অনেকটা খেয়াল বশেই আমি আর লিসা ঢাকার হোটেল ইশা খাঁতে ভাইভা দিতে গিয়েছিলাম। ভাইভা নেবার জন্য লিবিয়ান স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের তিনজন কর্মকর্তাও ঢাকায় এসেছিলেন। ভাইভাতে মেডিকেল জ্ঞান সংক্রান্ত তেমন কোনো প্রশ্ন করা হলো না। তারা আমাদের কাগজপত্র দেখলেন।… Read more »

লিবিয়ার পথে পথে

/

বেশকিছু দিন যাবত কোনো কিছুই লিখতে পারি নি। প্রফেশনাল ব্যস্ততা ও অন্যান্য আরো কিছু কারণে সময় বের করে নেটেও বসা হয় নি। যখন ল্যাপটপ খোলার একটু সময় পাওয়া, পুরানো ছবিগুলো দেখতে দেখতে উপরের ছবিটি দেখে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইলাম। ছবিটি আমি যখন লিবিয়াতে কর্মরত ছিলাম, তখনকার তোলা। সবার বামে আছেন ইউক্রেনিয়ান ইউরোলজিস্ট ডাঃ ইউরি, এরপর বাংলাদেশের… Read more »