‘অ্যা ব্রাউন ডায়েরি অব মাই জাপানিজ আন্টি’

/

ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেল এশিয়ার দেশ জাপান। দেশটির উত্তরাঞ্চলের পার্বত্য এলাকা কাজুনোর এক  নাগরিক মিতিশো আন্টির সুবাদে দেশটির প্রতি আমার অন্যরকম ভালোবাসা কাজ করে। মিতিশো আন্টি আমার সিলেটের স্বজন জামান কাকার স্ত্রী। জামান কাকা কাজের সুবাদে জাপানে গিয়েছিলেন আশির দশকের। তারপর থিতু হয়ে যান সেখানেই। মিতিশো আন্টিও টোকিওতে এসেছিলেন পড়াশোনা করতে। জামান কাকার সাথে… Read more »

জীবনের প্রথম চাকরি

/

কাজ করার জন্য গিয়েছিলাম মহেশখালী৷ মহেশখালীর রীতিনীতি তখন আমার জানা ছিল না৷ গিয়েছিলাম রাস্তা মেরামতে’র কাজে৷ রাস্তার কাজ বাদ দিয়ে লবণ এর মিলে কাজ নিয়েছি, আর এটাই আমার জীবনের প্রথম চাকরি৷ আমার সাথে আরো দুইজন ছিল৷ সেই মিলটির নাম ছিল জাকিরিয়া সল্ট৷ মিলের সবাই ইসলাম ধর্মাবলম্বী, শুধু কেবল আমি’ই হিন্দু ধর্মের অনুসারী৷ আমাদের যেই লোক… Read more »

বাবাকে এবারো বিদায় জানানো হলো না

/

মেইন গেইটের বাইরে স্কুটার এসে থামার শব্দ পাওয়া গেল। মামা এসে তাড়া দিলেন, “স্কুটার চলে এসেছে, সবাই বেড়িয়ে পড়”। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার এই সময়টাতে আম্মাকে সবচেয়ে খুশি দেখা যায়, চোখমুখ কেমন জ্বলজ্বল করে। করবেই বা না কেন, স্কুল এর গণ্ডি পেরোনোর আগেই বাড়ি ছাড়তে হয়েছিল। সেই ঘর-বাড়ি, বাড়ির সামনের উঠোন, উঠোন পেরিয়ে সড়ক, সড়কের পাশ… Read more »

যে কথা কখনো কাউকে বলিনি!

/

বয়স ষোল কি সতের। হঠাৎ করে শরীর ও মন কেমন যেন পাল্টে যেতে লাগল। শরীরে যেমন অনেক পরিবর্তন এলো তেমনি মনেও রং ধরলো। মোটেও স্বাস্থ্যবান ছিলাম না। রোগা পাতলা শীর্ণ চেহারা তার উপর আবার শ্যামলা বরণ। আকারে ছোট ছিলাম বলে স্কুলের বন্ধুরা আমাকে ‘লিলিপুট’ বলে ডাকতো। তখন স্কুলের সিলেবাসে ‘গ্যালিভার ট্রাভেল্স, পড়ানো হতো। আমি তখন… Read more »

যখন আমি মানুষ হলাম!

/

আমার ভূতুড়ে জ্বালাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মা আমাকে মামাবাড়িতে পাচার করে দিলেন। আমি সবেমাত্র তখন প্রাথমিক শেষ করে থানা সদরে মাধ্যমিকে ভর্তি হয়েছি। পড়ালেখায় নেহায়েত মন্দ ছিলাম না। মা আমাকে ( ভূত হতে) মানুষ করার জন্য মামাদের হাতে সোপর্দ করলেন। আমি যেন অথৈ সাগরে পড়লাম! মামারা ছিলেন প্রচণ্ড রাশভারী প্রকৃতির। আর নানা তো সাক্ষাৎ যম! পাড়া… Read more »

যখন আমি ভূত ছিলাম!

/

তখন আমার বয়স কতই বা হবে। বড়জোর আট-দশ। বাবা-মায়ের আট সন্তানের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। অনেক সন্তান বলে মা আমাদের খুব একটা সময় দিতে পারতেন না। আমরা মাকে খুব জ্বালাতন করতাম। বিশেষ করে আমি ছিলাম সবচেয়ে দুষ্টু; বদের শিরোমণি। বেশী জ্বালাতন করলে মা মারতেন। আমি অবশ্য বেশী জ্বালাতন করার সুবাদে বেশী মার খেতাম। মায়ের হাতের মার… Read more »