ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

কিছুক্ষন আগে দেশের প্রথম সারির কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে ব্রেকিং নিউজ দেখলাম ডেসটিনি গ্রুপের প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত/ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জহুরুল হক । কিন্তু এর কিছুক্ষন পরে অতীতের ন্যায় আবারো জানতে পারলাম যে এইটাও মিডিয়ার একটি প্যানিক সৃষ্টির অপচেষ্টা । প্রকৃত খবর হচ্ছে ডেসটিনির সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যেন কেউ বিক্রি করতে না পারে সেজন্য আদেশ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে । আদালত সেই আদেশ-ই দিয়েছেন । এতদিন দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ডেসটিনি সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে । এখন আবার তারাই ডেসটিনি গ্রুপের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি আছে বলে স্বীকার করে আদেশ চেয়ে বিশেষ জজ আদালতের সেই বিশেষ জজ জহুরুল হকের কাছে আবেদন করেছেন । এবং অতীতের ন্যায় আবারো আবেদনের সাথে সাথে সাথেই আদেশ !! চলুন প্রথমে বিশেষ জজ জহুরুল হকের কোর্টে পরিচালিত কয়েকটি মামলা সম্পর্কে জানি তারপর ডেসটিনি নিয়ে কিছু কথা বলব ।

১- বহুল আলোচিত কোকোর কর ফাঁকির বিচার শুরুর আদেশ উনি-ই দিয়েছিলেন যা আজকেও ( ২৭শে নভেম্বর) কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট । সূত্র- সময় টেলিভিশন ।
২- বহুল আলোচিত সচিবালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ মামলার শুনানি-ও করেছেন এই বিচারক । যেই মামলায় দেশের প্রধান বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় সকল নেতাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছিল । সূত্র- বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ।
৩- বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ । অব্যাহতির আদেশ দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোঃ জহুরুল হক । একই সঙ্গে এরশাদের কথিত বান্ধবী মরিয়ম মমতাজকেও এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ সময় এরশাদ বা মরিয়ম কেউই আদালতে উপস্থিত ছিলেন না । সূত্র- দৈনিক যুগান্তর, সমকাল ।
৪- আলোচিত পিলখানা বিডিআর হত্যাযজ্ঞের একটি অংশের মামলাও উনি পরিচালনা করেন । উল্লেখ্য, এই মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবীদেরকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সবরাহ না করেই বিচার শুরু করা হয়েছিল । এক্ষেত্রে আদালত লোকবল সংকটের কারন দেখিয়েছিল ।
৫- তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে অর্থপাচার মামলার কিছু অংশ-ও উনি পরিচালনা করেন ।
৬- দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাবেক এপিএস ওমর ফারুক মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেছেন । এই আবেদন নথিভুক্ত করে অবকাশকালীন আদালতে ১০ ডিসেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেছেন ঢাকার জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ মোহাম্মদ জহুরুল হক । সূত্র- প্রথম আলো ।
৭- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেইসবুকে হত্যার হুমকির একটি মামলাও উনি শুনানি করেন । উল্লেখ্য, মামলার আসামি বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক হাফিজুর রহমান রানা এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
৮- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার একাংশ উনি পরিচালনা করেন ।
৯- তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অর্থপাচারের একটি মামলারও উনি শুনানি করেন ।
১০- ডেসটিনির বিরুদ্ধেও একের পর এক ভিত্তিহীন মামলা করা হয় বিশেষ জজ জহুরুল হকের আদালতে । এবং পরিচালকদের জামিন বাতিল করে গ্রেফতারের আদেশ-ও দেন তিনি । গত ১২ই নভেম্বর যথাযথ আইন অনুসরন না করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা দুটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নেয়ায় অভিযোগে ঢাকা মাহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক কে তলব করে হাইকোর্ট । বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. আকরম হোসেন চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন । এই ধরনের বিতর্কিত সকল মামলা পরিচালনা করেছেন বিশেষ জজ জহুরুল হক । এগুলো কি কোনো বিশেষ ইঙ্গিত বহন করে কিনা তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে বোধগম্য হয় না । তাই ডেসটিনির ব্যাপারে উনি যে রায় গুলো একের পর এক দিয়ে আসছেন তা নিয়ে সংশয়ের কোনোরূপ অবকাশ নেই বৈকি ! ডেসটিনি প্রসঙ্গ- বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডেসটিনি উভয়ের দেয়া তথ্যমতে ডেসটিনি গ্রুপের সর্বমোট লেনদেন সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা । এর মধ্যে ১৪০০ কোটি টাকা ক্রেতা-পরিবেশকদের কমিশন বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে । প্রায় ৫০০ কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে ভ্যাট,ট্যাক্স বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে । বিগত ১১ বছরে ডেসটিনি গ্রুপের হাজার হাজার কর্মচারীর বেতন, পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারদের সম্মানী ও লভ্যাংশ, অফিসের যাবতীয় খরচ, করপোরেট সোস্যাল রেসপন্সিবিলিটি’র আওতায় দেশব্যাপী বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ ৪০০ কোটি টাকার মত খরচ হয়েছে । এছাড়াও ডেসটিনি মাল্টিপারপাস সোসাইটি’র সম্মানিত আট লাখ শেয়ার হোল্ডারকে বিগত বছরগুলোতে লভ্যাংশ বাবদ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে ।

ডেসটিনি গ্রুপের পক্ষ থেকে দেয়া তথ্যমতে ডেসটিনির প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে যা সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে । এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সকল টাকার হিসাব পরিষ্কার পাওয়া যাচ্ছে যা ডেসটিনির সকল ডিস্ট্রিবিউটর,বিনিয়োগকারীরা অবগত আছে । ডেসটিনি তাহলে বিদেশে পাচার করল কি ?? উত্তর- অশ্বডিম্ব ।। সর্বপ্রথম নিউজ বের হল এই মর্মে যে, ডেসটিনি ৫০-৬০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে । এরপরে বলা হল ১৫-২০ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে । এর পরে নিউজ করা হল সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুরোটাই পাচার করেছে ডেসটিনি । বিদেশে পরিচালকরা আপেল বাগান,বাড়ি-গাড়ি করেছেন ইত্যাদি ইত্যাদি শত শত ভিত্তিহীন অভিযোগ । এর পরে দুদক সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা অর্থপাচারের অভিযোগ এনে দুটি মামলা দায়ের করে ডেসটিনির পরিচালকদের বিরুদ্ধে । এর পর বাংলাদেশ ব্যাংক আবার তদন্ত রিপোর্ট দেয় পণ্য আমদানির ছদ্মাবরনে মাত্র ৬৩ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে ডেসটিনি ( এই ৬৩ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করা হয়েছে) । এর আগেই কোনো অভিযোগ ছাড়াই ডেসটিনি গ্রুপের সকল ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করে রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক । এতে করে ডেসটিনিতে বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায় ডেসটিন গ্রুপে কর্মরত তিন হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর । ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটরের পরিবারের রুটি-রুজি অনিশ্চিত হয়ে যায় । প্রায় ২ কোটি মানুষকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে, অভিভাবকদেরকে চোখে জল নিয়ে পার করতে হয়েছে একে একে দুটি ঈদ । এভাবে একের পর এক দমনমূলক কার্যক্রম চালিয়েও ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর,বিনিয়োগকারীকে বিভ্রান্ত ও ডেসটিনির বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে না পেরে ডেসটিনির শীর্ষ পরিচালকদের ধর-পাকড় শুরু করে দুদক । রিমান্ডে নিয়ে জোর করে জাবানবন্দী আদায় করে । এরপর অকস্মাৎ সরকার সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানী আইন পরিবর্তন করে ডেসটিনিতে প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার । প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল ডেসটিনির সকল সম্পত্তি নিলামে তোলা । কোম্পানি আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে দেশের আপামর ব্যবসায়ী সমাজ আপত্তি তোলে । কিন্তু এতকিছুর পরও ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর,গ্রাহক,বিনিয়োগকারীর ডেসটিনির প্রতি ভালবাসাকে এতটুকু-ও কমাতে পারেনি কুচক্রী মহল । ডেসটিনির ডিস্ট্রিবিউটররা একসময় বাধ্য হয় এই ষড়যন্ত্র,অপপ্রচারের প্রতিবাদে রাজপথে আন্দোলন করতে । “ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম”-এর ব্যানারে সকলে একত্রিত হয়ে ডেসটিনিকে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষার জন্য দেশব্যাপী সমাবেশ,মানববন্ধন এমনকি অনশন পর্যন্ত পালন করে । দেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও সংসদ সদস্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয় । কিন্তু শান্তিপূর্ণ এসব কর্মসূচীতে প্রশাসন একের পর এক প্রতিবন্ধকতা তৈরী করতে থাকে । বিভিন্ন জায়গায় তাদের উপর লাঠিচার্জ,টিয়ার শেল নিক্ষেপ থেকে শুরু করে গ্রেফতার পর্যন্ত করে ।

এক পর্যায়ে দেশের সকল মানবাধিকার সংগঠন-ও ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটরের পাশে দাঁড়ায় । তারাও প্রশ্ন তোলে যে, ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর,গ্রাহক,বিনিয়োগকারীর যেখানে কোনো অভিযোগ নেই সেখানে অভিযোগ কাদের ? ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটরের ১ জনেরও কোনো অভিযোগ নেই ডেসটিনির বিরুদ্ধে । উপরন্তু লাখ লাখ ডিস্ট্রিবিউটর ডেসটিনিকে ধ্বংস করার এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে মানববন্ধন করছে, সংবাদ সম্মেলন করছে । চিৎকার করে বলছে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত নই, পরিচালকদের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই, আমাদের বিনিয়োগের ব্যাপারে আমরা সচেতন, আমরা জানি আমাদের বিনিয়োগ নিরাপদ আছে, আমরা ডেসটিনিতে প্রশাসক চাইনা । আমরা রফিকুল আমীনের কাছেই নিরাপদ বোধ করি । তাহলে কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের এই প্রাণান্ত চেষ্টা ? সরকার বলছে, প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে সম্পত্তি বিক্রি করে ডিস্ট্রিবিউটরদের টাকা ফেরত দেয়া সম্ভব । এটাই প্রমাণ করে কোনো টাকা বিদেশে যায়নি । আর মানি-লন্ডারিং এর মামলার বিষয়টি আদালতে এখনো বিচারাধীন । কিন্তু সরকার মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে ডেসটিনির সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলো বন্ধ করে সম্পত্তিগুলো গ্রাস করতে চাইছে । দেশে তাহলে আইনের দরকার কি ? আদালত বন্ধ করে দেয়া হোক তাহলে । তাছাড়া, ডেসটিনির ভাল-মন্দের ব্যাপারে মতামত নিতে হবে ডেসটিনির সাথে সংশ্লিষ্ট দের কাছ থেকে । কিন্তু সরকার মুখে বলছে ডেসটিনির গ্রাহকদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এতসব করা হচ্ছে অথচ পরামর্শ নিচ্ছে একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহলের কাছ থেকে । যাদের ডেসটিনির সাথে কোনো সম্পর্কই নেই । বরঞ্চ ডেসটিনির ক্ষতি হলে যাদের সুবিধা হয় । অতঃপর একসময় সরকার বাধ্য হয় প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে । সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানায় ডেসটিনি ডিস্ট্রিবিউটর ফোরাম । কিন্তু আবারো দুদক প্রচন্ড রকম হঠকারিতার পরিচয় দিয়ে আদালতে ডেসটিনির সকল সম্পত্তি বিক্রির উপর স্থগিতাদেশের আদেশ চেয়ে জ্যেষ্ঠ জজ জহুরুল হকের আদালতে আবেদন করে । এবং সাথে সাথে আদেশ !!! কোনো বিনিয়োগকারীর অভিযোগ নেই,কোনো প্রমাণ নেই… সাথে সাথে আদেশ । বাংলাদেশ বলেই হয়তো এমন সম্ভব । তাছাড়া এর আগে দুদক সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ এনেছিল । ডেসটিনির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল কোনো টাকা পাচার হয়নি । এই টাকা বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে । বিনিয়োগকারীদের টাকা প্রথমে ব্যাংক একাউন্ট-এ আসে । বিনিয়োগ করতে হলে ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা তুলে বিনিয়োগ করতে হয় । কিন্তু এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটিকে টাকা “সরানো” হিসেবে দেখানো হচ্ছে । যা খুবই দুঃখজনক । উচ্চ আদালতে এই হাস্যকর ও ভিত্তিহীণ মামলাটি টিকবে না বুঝতে পেরে দুদক তড়িঘড়ি করে সম্পত্তি বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে যেই মামলাটি করলো এতে তো ডেসটিনি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যই প্রমাণিত হচ্ছে । উচ্চ আদালতে আপীলের পর এই মামলাটিতেও ইনশাল্লাহ দুদকের পরাজয় অনিবার্য । আমি এখনো বিশ্বাস করি বাংলাদেশে এখনো ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করা যায় । সরকারের প্রভাবমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ রায় দিয়ে উচ্চ আদালত আবার প্রমাণ করবে বাংলাদেশে এখনো ন্যায়বিচারের পথ বন্ধ হয়ে যায়নি । পরিশেষে ডেসটিনির ৪৫ লক্ষ অধিকার বঞ্চিত মানুষের সাথে কন্ঠ মিলিয়ে বলতে চাই—

ষড়যন্ত্র নিপাত যাক, ডেসটিনি মুক্তি পাক । Spartan Tanvir.