ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

খুবই জন গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে আমি বার বার বলছি কিন্তু কেউই ব্যাপারটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

ঢাকা মেডিকেলকে বিশ্ববিদ্যালয় এর নামে ধ্বংস করার যে চেষ্টা চলছে তা বন্ধ করার জন্য সচেতন জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। আর তা না হলে দেশের আপামর জনগণের চিকিথসার শেষ আশ্রয় এই ঢাকা মেডিকেল অচিরেই জনগণের হাত ছাড়া হয়ে যাবে। আমি অনেক সাংবাদিক ভাই ও পত্রিকার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না। উনারা বিষয়টাকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না। উনারা ভাবতেই পারছেন না যে এতে যে কি ভয়াবহ পরিণতি হতে যাচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ কে বিশ্ববিদ্যালয় করার কোনই প্রয়োজন নাই এটা আমি অনেক বার বুঝিয়েছি । এই বিশ্ববিদ্যালয় নাম দিয়ে মুষ্টিমেয় কিছু ডাক্তার ফায়দা নিতে চাইছেন। সেই ফায়দাটা শুধুই ব্যক্তিগত ফায়দাঃ পস্ত,পজিসন,ঢাকায় আজীবন থাকা, অবৈধ টাকা কামাই ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এটা করতে গিয়ে ওনারা সাধারন মানুষের চিকিথসার শেষ আশ্রয় টুকুকে বেসরকারি করনের মাধ্যমে বানিজ্জিকিকরন করতে চাচ্ছেন। সারা দেশের লাখ লাখ মানুষ এই হাসপাতালে যে চিকিথসা পায় তার বিকল্প আর কোথাও নাই। সরকার সেই সেবাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে কিছু লোকের ব্যক্তি স্বার্থ হাছিলের সুযোগ করে দিতে চাইছে! কিন্তু কেন? আসলে সরকার এইসব প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি করনের পায়তারা করছে আর তাই বিশ্ববিদ্যালয় নাম দিয়ে খুব চতুরতার সহিত এই কাজ হাছিল করতে চাইছে। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে এটা শুধু একটা হাসপাতালই নয় এটা একটা ডাক্তার তৈরির কারখানা। দুনিয়ার অনেক শ্রেষ্ঠ ডাক্তার এই হাসপাতাল হতে বের হয়েছে।এই হাসপাতালে রোগীর ফ্রী চিকিথসা হয় বলেই এখানে রোগীর কোন অভাব নাই। এতো রোগী দুনিয়ার অন্য কোথাও আছে কিনা সন্দেহ। আর এই রোগীর কারনেই এই হাসপাতাল দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ডাক্তার তৈরির কারখানা। হাজার হাজার ডাক্তার তৈরি করছে এই হাসপাতাল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় হলে রোগীর ফ্রী চিকিথসা কমে যাবে ফলে রোগীর পরিমানও কমে যাবে আর এতে ডাক্তারদের শিখার সুযোগ ও কমে যাবে। মান সম্মত ডাক্তার তৈরির রাস্তাও বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়া এখন যেমন সরকারী ডাক্তাররা বা বেসরকারি ডাক্তাররা ট্রেনিং এর অবারিত সুযোগ পান তাও বন্ধ হয়ে যাবে। সরকারী ডাক্তাররা কোন ভাবেই ট্রেনিং পোস্ট এ আসতে পারবেন না আর বেসরকারি ডাক্তারদের সুযোগও কমে যাবে। তাহলে দেশ ভালো চিকিথসকের সঙ্কটে পড়বে। এতোবড় একটা সমস্যাকে কেউই কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। পত্রিকা গুলো এই ব্যাপারটাকে কোন ভাবেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না। জাতীর বিবেক বলে পরিচিত এই সব সংবাদিক বা সংবাদপত্র আজ কেন এই বিষয়ে নীরব!!! আমি বার বার চেষ্টা করেও ব্যর্থ। আমরা কি পারিনা জাতীর এই ক্ষতিকে রুখতে? আমরা কি ধ্বংসের অপেক্ষায় থাকব না কি কিছু একটা করব?