ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

আপনি কি মনে করেন হঠাত করেই দেশে ধর্ষণ এবং শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে? মোটেই তা নয় বরং বলতে পারেন মানুষ প্রতিবাদী হয়ে উঠছে। আর সে কারণেই খবরগুলো উঠে আসছে। তবে এটা যথেষ্ট নয়।
ধর্ষণ এবং শিশু নির্যাতন এভাবেই চলে আসছে আর তার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। সেই সাথে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠছে না।

এর থেকে বেড়িয়ে আসতে হলে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আওতায় নিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে এই বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা যেমন দরকার তেমনি সামাজিকভাবে এই ঘৃণ্য কাজের সাথে জড়িতদের পরিবারগুলোকে সামাজিকভাবে বয়কট করা একান্ত জরুরী।
আমাদের এটা মনে রাখা উচিৎ সবার আগে প্রতিরোধ গড়ে ওঠা প্রয়োজন পরিবার থেকে তারপরে সমাজ থেকে। রাষ্ট্র শুধু বিচারের ব্যবস্থা করতে পারে।
সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে পাড়ার ক্লাবে কাউন্সিলিং হতে পারে সচেতনতা সৃষ্টির একটা উপায়।
তবে সবার আগে পরিবারের কর্তাদের সজাগ হওয়া প্রয়োজন। আজ আপনার ছেলে ধর্ষক বলে তাকে আপনি বাচাতে চাইছেন কাল আপনার মেয়ে ধর্ষিতা হলে আপনি কি করবেন?

আপনার ছেলের গতিবিধির খবর আপনি সবথেকে ভাল জানেন। কাজেই তাকে আটকানোর চেষ্টা করুন।
গণমাধ্যমগুলি ঘটনার বিবরণ যেমন দেয় তেমন করে কেন বিচারের ফলাফলকে তার থেকেও বেশী ফলাও করে প্রচার করছে না?
প্রতিটি ধর্ষক এবং নির্যাতন কারীর ছবি সহ পোষ্টারিং করুন। তাদের সমাজের ঘৃণ্য তম জীব হিসেবে চিত্রায়িত করুন।
দেখবেন আপনা থেকেই এই সব কমে আসবে। নয়ত এ শুধু নিত্য খবরের খোরাকই জুগিয়ে যাবে বন্ধ হবে না।

kmgmehadi@gmail.com